এক মহৎ বালকের গল্প...

ইব্রাহিম নাজ

এক্টিভ ব্লগার
#1

এক মহৎ বালকের গল্প :



আরবে ইসলামি খেলাফতের আমল। উমর বিন উবায়দুল্লাহ ছিলেন একজন ধনী ও দানশীল ব্যক্তি। একবার তিনি এক খেজুর ও আঙ্গুর বাগানের পাশে দিয়ে পথ অতিক্রম করেছিলেন। তিনি দেখেন, বাগানের এক কোণে একটি বালক বসে রুটি আহার করছে। এ সময় সেখানে একটি কুকুর আসে। কুকুরটি তার সামনে বসে পড়ে। তখন বালকটি তার রুটির এক টুকরা কুকুরে মুখে দেয় আর এক টুকরা নিজের মুখে দেয়। এভাবে দুজন মিলে রুটিটি আহার করে শেষ করে। উমর দাঁড়িয়ে বিস্মিত চিত্তে বালকটির এই উদার মহৎ কাজটি অবলোক করেন।


উমর বালককে জিজ্ঞেস করেন : ‘কুকুরটি কি তোমার?’

বালক : ‘জী-না।’

উমর : ‘তাহলে তোমার সামান্য খাবার কেন কুকুরটির সাথে ভাগাভাগি করে নিলে?’

বালক : ‘কুকুরটি আমার মতোই ক্ষুধার্ত ছিলো। সে জন্যে দুজনে ভাগাভাগি করে খেয়েছি।’

উমর বালকটির কথা শুনে অবাক হয়ে যান। তারপর তাকে জিজ্ঞেস করেন : ‘তুমি কি স্বাধীন না ক্রীতদাস?’

বালক : ‘জী-না, আমি স্বাধীন নই, আমি এই বাগানের মালিকের ক্রীতদাস।’

উমর আর কোনো কথা না বলে ফিরে যান বাড়িতে। বাগানের মালিকের সাথে দেখা করেন এবং বাগানটি ক্রয় করেন। সেই সাথে বাগানের সেবক বালকটিও ক্রয় করে নেন। তারপর ফিরে আসেন বাগানে বালকটির কাছে।

উমর : হে প্রিয় বালক, সুসংবাদ গ্রহণ করো। এখন থেকে তুমি মুক্ত স্বাধীন এবং বাগানটির মালিকও তুমি।

বালক : ‘আলহামদুল্লিাহ, আজ থেকে এই বাগানে উৎপাদিত ফল আহার করবে এই বসতির দরিদ্র লোকেরা। আমি তাদের জন্যে এই বাগানের সব ফল “ওয়াকফ” করে দিলাম।’

উমর : বিস্মিত কণ্ঠে ‘তুমি নিজে অভাবী হওয়া সত্ত্বেও সব ফল ওয়াকফ করে দিলে!’

বালক : ‘আমি এতো বড়ো দান লাভ করার পরও কিভাবে কৃপণতা করতে পারি?’
 

Khaled Al Mahmud

সুপার ব্লগার
#2
View attachment 73
এক মহৎ বালকের গল্প :



আরবে ইসলামি খেলাফতের আমল। উমর বিন উবায়দুল্লাহ ছিলেন একজন ধনী ও দানশীল ব্যক্তি। একবার তিনি এক খেজুর ও আঙ্গুর বাগানের পাশে দিয়ে পথ অতিক্রম করেছিলেন। তিনি দেখেন, বাগানের এক কোণে একটি বালক বসে রুটি আহার করছে। এ সময় সেখানে একটি কুকুর আসে। কুকুরটি তার সামনে বসে পড়ে। তখন বালকটি তার রুটির এক টুকরা কুকুরে মুখে দেয় আর এক টুকরা নিজের মুখে দেয়। এভাবে দুজন মিলে রুটিটি আহার করে শেষ করে। উমর দাঁড়িয়ে বিস্মিত চিত্তে বালকটির এই উদার মহৎ কাজটি অবলোক করেন।


উমর বালককে জিজ্ঞেস করেন : ‘কুকুরটি কি তোমার?’

বালক : ‘জী-না।’

উমর : ‘তাহলে তোমার সামান্য খাবার কেন কুকুরটির সাথে ভাগাভাগি করে নিলে?’

বালক : ‘কুকুরটি আমার মতোই ক্ষুধার্ত ছিলো। সে জন্যে দুজনে ভাগাভাগি করে খেয়েছি।’

উমর বালকটির কথা শুনে অবাক হয়ে যান। তারপর তাকে জিজ্ঞেস করেন : ‘তুমি কি স্বাধীন না ক্রীতদাস?’

বালক : ‘জী-না, আমি স্বাধীন নই, আমি এই বাগানের মালিকের ক্রীতদাস।’

উমর আর কোনো কথা না বলে ফিরে যান বাড়িতে। বাগানের মালিকের সাথে দেখা করেন এবং বাগানটি ক্রয় করেন। সেই সাথে বাগানের সেবক বালকটিও ক্রয় করে নেন। তারপর ফিরে আসেন বাগানে বালকটির কাছে।

উমর : হে প্রিয় বালক, সুসংবাদ গ্রহণ করো। এখন থেকে তুমি মুক্ত স্বাধীন এবং বাগানটির মালিকও তুমি।

বালক : ‘আলহামদুল্লিাহ, আজ থেকে এই বাগানে উৎপাদিত ফল আহার করবে এই বসতির দরিদ্র লোকেরা। আমি তাদের জন্যে এই বাগানের সব ফল “ওয়াকফ” করে দিলাম।’

উমর : বিস্মিত কণ্ঠে ‘তুমি নিজে অভাবী হওয়া সত্ত্বেও সব ফল ওয়াকফ করে দিলে!’

বালক : ‘আমি এতো বড়ো দান লাভ করার পরও কিভাবে কৃপণতা করতে পারি?’
সুবহানাল্লাহ
 

Naiem Rana

সুপার ব্লগার
#4
সুবাহানাল্লাহ
 

বর্ণমালা এন্ড্রয়েড এপ

নতুন যুক্ত হয়েছেন

Top