ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে শনি গ্রহের বলয়

Sabbir Ahmad

নতুন সদস্য
#1
saturn-24122018-1539473241.jpg

শনি গ্রহের পরিচয় তার দৃষ্টিনন্দন বলয়। ছবি: সংগৃহীত
পৃথিবী বাদে সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহ দেখতে কেমন, জানেন কী? অন্যান্য গ্রহ না চিনলেও শনি গ্রহটা নিশ্চয়ই অনেকে চেনেন, কারন একে ঘিরে আছে বেশ স্পষ্ট বলয়, যা অন্যান্য গ্রহের নেই। বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুনেরও বলয় আছে, তবে শনির মতো এতো স্পষ্ট নয় কোনোটাই। বলয় ছাড়া দেখলে হয়তো শনিকে অন্যান্য গ্রহ থেকে আলাদা করাই যাবে না। গবেষকরা জানিয়েছেন, শনির এই বলয় ক্ষয় হচ্ছে প্রতিনিয়ত। একটা সময়ে গ্রহটির চারপাশে আর বলয় থাকবে না।

‘রিং রেইন’ নামের একটি ঘটনা লক্ষ্য করেছেন গবেষকরা। এই ঘটনায় বলয় থেকে পানি টেনে নিয়ে যাচ্ছে গ্রহটি। শনি গ্রহের কাছে যাওয়া মহাকাশযান ক্যাসিনি দেখে, গ্রহটির টানে বলয় থেকে পানি ও অন্যান্য পদার্থ চলে যাচ্ছে বলয় থেকে। গবেষকরা তাদের তথ্য থেকে ধারনা করান, ১০০ মিলিয়ন বছরের মাঝে এভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে শনির বলয়।

এ সংক্রান্ত গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয় ইকারুস জার্নালে। গবেষণার লেখক, নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের একজন স্পেস ফিজিসিস্ট জেমস ও’ডনাহিউ জানান, শনির বলয় এখন মধ্যবয়সী। তিনি ধারনা করেন, হয়ত বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুনেরও বিশাল বলয় ছিল একসময়, তারা এখন ক্ষয়ে ক্ষয়ে ছোট হয়ে এসেছে। শনির অবস্থাও এমন হয়ে যাবে।

নতুন এই গবেষণাটির জন্য ২০১১ সালে হাওয়াই থেকে সংগ্রহ করা তথ্যের ওপর নির্ভর করা হয়। এত জন্য ব্যবহার করা হয় একধরনের বিশেষ হাইড্রোজেন যা ইনফ্রারেড লাইটে জ্বলজ্বল করে। ওই বিশেষ হাইড্রোজেনটার উপস্থিতির কারনেই ‘রিং রেইন’ দেখা যায়। মাত্র দুই ঘন্টার মাঝেই দেখা যায়, প্রতি সেকেন্ডে ৪২০ থেকে ২,৮০০ কেজি ভর হারাচ্ছে শনির বলয়। গবেষকরা এ থেকে ধারনা করছেন, ১০০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন বছরের মাঝে শনির বলয় আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।

এ বছরের শুরুর দিকে এ ধরনের আরও একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়। তাতে ক্যাসিনির থেকে পাওয়া তথ্যে আরও এক ধরনের রিং রেইন শনাক্ত করা হয়। ও’ডনাহিউয়ের গবেষণায় ওই রিং রেইনের তথ্য যোগ করা হয়নি। তাই দুই ধরনের রিং রেইন মিলে আরও দ্রুত শনির বলয় ক্ষয় হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
 

Attachments

Naiem Rana

সুপার ব্লগার
#3
খুব খারাপ সংবাদ:rolleyes::rolleyes:
 

Khaled Al Mahmud

সুপার ব্লগার
#5
saturn-24122018-1539473241.jpg

শনি গ্রহের পরিচয় তার দৃষ্টিনন্দন বলয়। ছবি: সংগৃহীত
পৃথিবী বাদে সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহ দেখতে কেমন, জানেন কী? অন্যান্য গ্রহ না চিনলেও শনি গ্রহটা নিশ্চয়ই অনেকে চেনেন, কারন একে ঘিরে আছে বেশ স্পষ্ট বলয়, যা অন্যান্য গ্রহের নেই। বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুনেরও বলয় আছে, তবে শনির মতো এতো স্পষ্ট নয় কোনোটাই। বলয় ছাড়া দেখলে হয়তো শনিকে অন্যান্য গ্রহ থেকে আলাদা করাই যাবে না। গবেষকরা জানিয়েছেন, শনির এই বলয় ক্ষয় হচ্ছে প্রতিনিয়ত। একটা সময়ে গ্রহটির চারপাশে আর বলয় থাকবে না।

‘রিং রেইন’ নামের একটি ঘটনা লক্ষ্য করেছেন গবেষকরা। এই ঘটনায় বলয় থেকে পানি টেনে নিয়ে যাচ্ছে গ্রহটি। শনি গ্রহের কাছে যাওয়া মহাকাশযান ক্যাসিনি দেখে, গ্রহটির টানে বলয় থেকে পানি ও অন্যান্য পদার্থ চলে যাচ্ছে বলয় থেকে। গবেষকরা তাদের তথ্য থেকে ধারনা করান, ১০০ মিলিয়ন বছরের মাঝে এভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে শনির বলয়।

এ সংক্রান্ত গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয় ইকারুস জার্নালে। গবেষণার লেখক, নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের একজন স্পেস ফিজিসিস্ট জেমস ও’ডনাহিউ জানান, শনির বলয় এখন মধ্যবয়সী। তিনি ধারনা করেন, হয়ত বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুনেরও বিশাল বলয় ছিল একসময়, তারা এখন ক্ষয়ে ক্ষয়ে ছোট হয়ে এসেছে। শনির অবস্থাও এমন হয়ে যাবে।

নতুন এই গবেষণাটির জন্য ২০১১ সালে হাওয়াই থেকে সংগ্রহ করা তথ্যের ওপর নির্ভর করা হয়। এত জন্য ব্যবহার করা হয় একধরনের বিশেষ হাইড্রোজেন যা ইনফ্রারেড লাইটে জ্বলজ্বল করে। ওই বিশেষ হাইড্রোজেনটার উপস্থিতির কারনেই ‘রিং রেইন’ দেখা যায়। মাত্র দুই ঘন্টার মাঝেই দেখা যায়, প্রতি সেকেন্ডে ৪২০ থেকে ২,৮০০ কেজি ভর হারাচ্ছে শনির বলয়। গবেষকরা এ থেকে ধারনা করছেন, ১০০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন বছরের মাঝে শনির বলয় আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।

এ বছরের শুরুর দিকে এ ধরনের আরও একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়। তাতে ক্যাসিনির থেকে পাওয়া তথ্যে আরও এক ধরনের রিং রেইন শনাক্ত করা হয়। ও’ডনাহিউয়ের গবেষণায় ওই রিং রেইনের তথ্য যোগ করা হয়নি। তাই দুই ধরনের রিং রেইন মিলে আরও দ্রুত শনির বলয় ক্ষয় হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
অন্যরকম কিছু জানলাম
 

বর্ণমালা এন্ড্রয়েড এপ

নতুন যুক্ত হয়েছেন

Top