• সুখবর........ সুখবর........ সুখবর........ বর্ণমালাকে খুব শিঘ্রই পাওয়া যাবে বাংলা বর্ণমালার ডোমেইন "ডট বাংলায়" অর্থাৎ আমাদের ওয়েব এড্রেস হবে 'বর্ণমালাব্লগ.বাংলা' পাশাপাশি বর্তমান Bornomalablog.com এ ঠিকানায়ও পাওয়া যাবে। বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণতা পাবে আমাদের বর্ণমালা।

ঘুরে এলাম শ্রিমঙ্গল

নাবিল হাসান

সুপার ব্লগার
#1
2019-01-05-06-26-32-271631470-jpg.38
দেখা হয়নাই দু'চোখ মেলিয়া,
ঘর হইতে শুধু দু'পা ফেলিয়া।।

সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ স্বভাবত কৌতুহল প্রবণ।তার মধ্যে রয়েছে অজানাকে জানার এক প্রবল আকাঙখা।নতুন কিছুর সন্ধান পেলেই মানুষ ছুটে যায় তার কাছে।মানুষ চায় নিত্য নতুন জিনিষ জানতে,শিখতে, বুজতে।তাই অজানাকে জানার সেই আকাং্খা নিয়ে,মহান আল্লাহ তায়ালার অমীয় বাণি "তোমরা পৃথিবীর মাঝে বিচরন কর এবং আমার নিদর্শনাবলী দেখ" কে সামনে রেখে 'বড়লেখা ইয়ুথ ওয়েভ রিডারস ফোরাম' এর উদ্দুগে মৌলভিবাজার জেলার অন্তর্গত শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশ্যে এক শিক্ষা সফরের আয়জন করা হয়।লক্ষ্য হল সুন্দর্যের লীলাভূমি শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শনাদি দেখা।তো সেই লক্ষ্যে সকাল ৯.৩০ ঘটিকার সময় বড়লেখা থেকে শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হয়।একটু পরেই গিয়ে পৌছাবো শ্রীমঙ্গলে, এটা ভেবে মন আনন্দে মেতে উঠলো। পথিমধ্যে গাড়িতে বসেই কুইজ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়।যা সফরের আনন্দকে আরো বেগবান করে তুলে।যাই হোক দীর্ঘ সফর শেষে বেলা ১.০০ ঘটিকার সময় আমরা কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর লেকে গিয়ে পৌছি।

মাধবপুর লেক:

প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভুমি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত মাধবপুর লেক দেশী বিদেশী পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি স্থান। এটি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পাত্রখলা চা বাগানে অবস্থিত। মৌলভীবাজার থেকে ৪০ কিলোমিটার ও শ্রীমঙ্গল থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই মনোরম লেকটি।চা বাগানে চাষের ও অন্যান্য বিভিন্ন কারণে ব্যবহারের জন্য প্রচুর পানির প্রয়োজন হয় বলে পাবত্য অঞ্চলের বৃষ্টিবহুল এলাকাগুলোই চা চাষের জন্য সর্ব্বোৎকৃষ্ট। কিন্তু, এসব অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ অধিক হলেও ঢালু ভূমির কারণে পানি অধিক সময় অবস্থান করেনা বিধায় পানির প্রয়োজনে বাগান কর্তৃপক্ষ একাধিক জলাধার তৈরী করেন, যা প্রায় প্রতিটি চা বাগানের ক্ষেত্রেই অতি স্বাভাবিক ব্যাপার এবং স্থানীয় চা শ্রমিকরা এসব হ্রদকে "ডাম্প" বলে থাকে।। এরই ধারাবাহিকতায়, মাধবপুর চা বাগান কর্তৃপক্ষ ১৯৬৫ সালে বাগানের মধ্যস্থিত তিনটি টিলাকে বাঁধ দিয়ে পানি জমিয়ে রেখে গড়ে তোলেন মাধবপুর লেক।
সুনীল আকাশ, লেকের চারপাশের ঘাঢ় সবুজ পাহাড়, শিল্পীর তুলিতে আঁকা ছবির মত মনোরম চা বাগানের দৃশ্যে হারিয়ে যান আপন মনে। চারিদিকে সুউচ্চ পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত লেকটি সত্যি অপূর্ব। লেকের ঝলমল পানি, ছায়া সুনিবিড় পরিবেশ, শাপলা শালুকের উপস্থিতি আরও মনোমুগ্ধকর করে তুলে। আস্তে আস্তে যতই সামনের দিকে এগুতে থাকবেন ততই ভাল লাগবে। মাঝে মাঝে বানর ও হনুমানের লাফালাফির দৃশ্যও চোখে পড়ে। মাধবপুর লেকে গিয়ে পৌঁছতেই সবুজ পাতার গন্ধ যে কারো মনকে চাঙ্গা করে তুলবে। চারদিকে সবুজ পাহাড়। পাশাপাশি উঁচু উঁচু টিলা। সমতল চা বাগানে গাছের সারি। হয়তো এরই মাঝে একঝাঁক পাখি অতিথিদের আমন্ত্রণ জানাবে তাদের সুরের মুর্চ্ছনা দিয়ে। পাহাড়ী পাখির গান আর নৃত্য ছাড়াও দেখা যায় নানান প্রজাতির বন্যপ্রাণী। মাধবপুর লেক যেন প্রকৃতির নিজ হাতে অঙ্কিত মায়াবী নৈসর্গিক দৃশ্য। সুনীল আকাশ আর গাঢ় সবুজ পাহাড়, শিল্পীর তুলিতে আঁকা ছবির মত চা বাগানের এই মনোরম দৃশ্য আকর্ষন করে নিয়ে যাবে ভিন্ন জগতে। চারদিকে সুউচ্চ পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত লেকটি খুবই চমৎকার। প্রতিদিনই পর্যটকরা আসছেন মাধবপুর লেকে। শত শত বিনোদন প্রিয় পর্যটকদের পদভারে পুরো বছরই মুখরিত থাকে লেক।মাধবপুর লেকের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল লেকের চারপাশের উচু উচু পাহাড় গুলো।আমরা সবাই দুইটা গ্রুপে ভাগ হয়ে লেকের দুপ্রান্তের পাহাড় দিয়ে হেটে হেটে দেখছিলাম আর মনে মনে ভাবছিলাম যে আল্লাহ্‌ তায়ালার সৃষ্টি এত সুন্দর,না জানি তিনি কত সুন্দর।তবে মজার বিষয় হল আমাদের এই পাহাড়ি পথে সফর সংগি হিসেবে একটি কুকুরও ছিল।যতবার তাকে ফিরিয়ে দেই আবার চলে আসে।কি জানি কেন এমন করেছিল।আবার আসার সময়ও আমাদের সাথে সাথে ফিরে এসেছিল।যাই হোক,আমরা হাটতে হাটতে এত দূরে এসে পড়েছিলাম যে ফিরে যাওয়ার রাস্তাই ভুলে গিয়েছিলাম।এদিকে যাওয়ার সময়ও হয়ে গেছে,কি করব বুযতে পারছিলামনা।আমাদের সাথের কিছু ভাই চলে গিয়েছিল কিছুটা এসেই।কিন্তু আমি আবির ভাই,মাসুম ভাই,রেদওয়ান ভাই,শরিফুল ভাই এই পাঁচ জন না গিয়ে হাটতে হাটতে যে কুথায় এসেছি তার খেয়ালই করিনি।তো শেষ পর্যন্ত খুজতে খুজতে রাস্তা পেয়ে যাই এবং ফিরে আসি।যখন রাস্তা খুজে পাচ্ছিলামনা তখন খুব ভয় করেছিল।আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া যে আমরা রাস্তা খুজে পেয়েছিলাম।তা না হলে যে কি হত তা ভাবতেই ভয় করে।
যেভাবে যাবেন: এই লেকটি ঢাকা থেকে প্রায় ২০৭ কিলোমিটার এবং মৌলভীবাজার থেকে প্রায় ৩৯.৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ঢাকা থেকে সোহাগ পরিবহন, হানিফ পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, টি আর ট্র্যাভেলস সহ বিভিন্ন বাস শ্রীমঙ্গলের পথে চলাচল করে। এছাড়া ঢাকা থেকে কালিনী এক্সপ্রেস, পারাবত এক্সপ্রেস, জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস এবং উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনগুলো সিলেটে যাবার পথে শ্রীমঙ্গলে যাত্রাবিরতি করে। এছাড়া আকাশপথে ঢাকা থেকে সিলেটে পৌঁছে তারপর শ্রীমঙ্গলে যেতে পারেন আপনি।
শ্রীমঙ্গলে পৌঁছে আপনি সিএনজি অটোরিকশা অথবা বাসে করে শ্রীমঙ্গল-ভানুগাছ সড়ক ধরে এই লেকে পৌছাতে পারেন। এছাড়া আপনি ঢাকা থেকে সিলেটে পৌঁছে তারপর এখানে আসতে পারেন। সিলেট থেকে ৯৪.২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এঈ লেকে আপনি বাসে করে আসতে পারেন।
যাই হোক আমরা সেখান থেকে গাড়িতে করে নতুন তৈরিকৃত জান্নাতুল ফেরদৌস মসজিদ এলাকার দিকে রওয়ানা হই।

জান্নাতুল ফেরদৌস শ্রীমঙ্গল :

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি ও চায়ের রাজধানী খ্যাত উপজেলা মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পাহাড়ের চূড়ায় নির্মাণ করা হয়েছে একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ।
তুর্কি নকশায় নির্মিত মসজিদটি দেখতে এবং নামাজ আদায় করতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন অসংখ্য পর্যটক।
মসজিদটির নাম দেয়া হয়েছে মসজিদুল আউলিয়া খাজা শাহ্ মোজাম্মেল হক (রহ.)।
জানা যায়, উপমহাদেশ খ্যাত আধ্যাত্মিক সুফি-সাধক খাজা ইউনুছ আলী এনায়েতপুরীর (রহ.) উত্তরসূরি ছিলেন খাজা শাহ্ মোজাম্মেল হক (রহ.)।
খাজা শাহ্ মোজাম্মেল হক (রহ.) এর সাহেবজাদা খাজা টিপু সুলতান এ মসজিদটি এখানে নির্মাণ করিয়েছেন।
খাজা মোজাম্মেল হক (রহ.) ফাউন্ডেশনের এখানকার সমন্বয়কারী আরমান খান জানান, শ্রীমঙ্গল সদর থেকে প্রায় ৬-৭ কিলোমিটার দূরে বালিশিরা পাহাড়ের মহাজিরাবাদ এলাকায় এ মসজিদটির অবস্থান।
সমতল থেকে ৭০-৮০ ফুট উপরে পাহাড়ের চূড়ায় স্থাপিত মসজিদটিতে যেতে হয় ১৩৯টি সিঁড়ি পেরিয়ে। প্রায় ১৯ বিঘা জমির ওপর নির্মিত মসজিদের চারদিকেই রয়েছে সবুজ পাহাড়।
আর এসব পাহাড়ে রয়েছে চোখ জুড়ানো সবুজের আবরণ। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে রয়েছে সবুজ চা বাগানও। আরো রয়েছে লেবু ও আনারসের বাগান।
উপরে উঠার সিঁড়িগুলোর দুই পাশে সাদা আর মধ্যে দেয়া হয়েছে লাল রঙ। সবুজ প্রকৃতির সঙ্গে মিলিয়ে সাদা আর লাল রঙের মিশ্রণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
তাছাড়া মসজিদের পাশেই রাখা হয়েছে কবরস্থানের জায়গা। রয়েছে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের পরিবারের সদস্যদের বিশ্রামের জন্য গেস্ট হাউজও।
ভিআইপিদের আসার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে হেলিপ্যাডের। গরিব ও অসহায় মানুষের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করার জন্য রয়েছে একটি চিকিৎসাকেন্দ্র।
মসজিদের ভেতরে লাগানো দৃষ্টিনন্দন একটি ঝাড়বাতি আনা হয়েছে চীন থেকে। নানান জাতের ফুল গাছ লাগিয়ে সাজানো পুরো মসজিদ এলাকার নাম দেয়া হয়েছে জান্নাতুল ফেরদৌস।
দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ৮০০ লোক নামাজ পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে বলেও আরমান খান জানান। বর্তমানে এ মসজিদের পেশ ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মাওলানা মো: মুসলেহ্ উদ্দিন।
তিনি আরো বলেন, গত ২৪ নভেম্বর এ মসজিদে বার্ষিক ওরসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা খাজা এনায়েতপুরীর (রহ.) প্রায় আট হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে।
মসজিদটি পরিচালিত হচ্ছে খাজা মোজাম্মেল হক (রহ.) ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে।
বেলা ৩ঘটিকার সময় আমরা সেখানে গিয়ে পৌছে জামাতের সাথে যুহরের নামাজ আদায় করি।সেখানে কিছু ফটো সেশন করে আমরা দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য শ্রীমঙ্গলের বিখ্যাত পানসি হুটেলে যাই।খাওয়া শেষে সবাই চা খেয়ে আবার বেরিয়ে পড়ি নতুন জায়গায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে।এবার উদ্দেশ্য হল কাছেই অবস্থিত মুক্তিযুধ্যের ঐতিহ্য বহনকারী স্থান শ্রীমঙ্গলের 'বধ্যভূমি ৭১'।

বধ্যভূমি ৭১:

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি শ্রীমঙ্গলের ‘বধ্যভূমি ৭১’ আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বধ্যভূমিতে ২০১০ সালে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পর থেকে দর্শনার্থীদের ভীড় এখানে উপচে পড়ছে। এছাড়াও প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা আসেন বধ্যভূমি দেখতে।
শ্রীমঙ্গলে শহরের ভানুগাছ সড়কে বিজিবি’র সেক্টর হেড কোয়ার্টার সংলগ্ন বটকুঞ্জের নিচ দিয়ে প্রবাহিত ভুরভুরিয়া ছড়ার পাশে এর অবস্থান। সম্প্রতি এখানে পর্যটকদের সুবিধার্থে নির্মিত হয়েছে ‘সীমান্ত ৭১ ফ্রেশ কর্নার’সহ মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ‘মৃত্যুঞ্জয়ী ৭১’। ২০১০ সালের ১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর দৃষ্টিনন্দন স্মৃতিস্তম্ভ ও একাত্তরের স্মৃতি বিজড়িত বধ্যভূমিটি দেখতে মানুষ আসতে থাকেন এখানে। বর্তমানে এ স্থানটি এখন আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
বেলা ৪.৩০ ঘটিকার সময় আমরা সেখানে গিয়ে পৌছাই।সেখানে গিয়ে সবাইকে নিয়ে পুরষ্কার বিতরনি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 'বড়লেখা ইয়ুথ ওয়েভ রিডারস ফোরাম' এর সম্পাদক হাসনাত আহমদ শাকিল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলার সাবেক বাইছ চেয়ারম্যান এমাদুল ইসলাম,ইয়ুথ ওয়েভ ফোরাম' মৌলভিবাজারের স্কুল সম্পাদক সাহেদ আহমেদ,ইয়ুথ ওয়েভ ফোরাম' মৌলভিবাজার জেলা সভাপতি আব্দুল মুমিত সহ বক্তব্য রাখেন আগত মেহমান ফয়সল আহমদ।এর পরপরই কুইজ প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার তুলে দেন মেহমানবৃন্দ।আর তারই সাথে সাথে শেষ হয় আমাদের শিক্ষা সফরের কার্যক্রম।তারপর আমরা আল আত্তার মসজিদে আসরের নামাজ আদায় করে রওয়ানা হই গন্তব্যস্থলের উদ্দেশ্যে।পথেই একটা মসজিদে মাগরিবের নামাজ আদায় করি।অবশেষে,রাত ৯ ঘটিকার সময় আমরা বড়লেখায় এসে পৌছি।এভাবেই সমাপ্ত হয় আমাদের একদিনের শিক্ষা সফরের।কিন্তু কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার "শেষ হয়েও হইলনা শেষ" কথাটির মত যেন আমাদের মনে আরো দেখার আরো জানার আকাঙখা রয়ে গেল।আমরা বাড়িতে ফিরে এসেছি ঠিকই কিন্ত আমাদের মন পড়ে রইল সুন্দরময় শ্রীমঙ্গলে।আমাদের কি সুন্দর একটি দেশ!আমার মন বারবার বলতে লাগল-"এমন দেশটি কুথাও খুজে পাবে নাকো তুমি/সকল দেশের রানী সে যে আমার জন্মভূমি।"
পরিশেষে সবাইকে শ্রীমঙ্গলে সফরে আসার আহ্বান জানাই।
 
Last edited by a moderator:

Naiem Rana

সুপার ব্লগার
#2
অসাধারণ!
আমার ও ঘুরতে ইচ্ছে করছে?
 

Khaled Al Mahmud

সুপার ব্লগার
#4
দেখা হয়নাই দু'চোখ মেলিয়া,
ঘর হইতে শুধু দু'পা ফেলিয়া।।

সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ স্বভাবত কৌতুহল প্রবণ।তার মধ্যে রয়েছে অজানাকে জানার এক প্রবল আকাঙখা।নতুন কিছুর সন্ধান পেলেই মানুষ ছুটে যায় তার কাছে।মানুষ চায় নিত্য নতুন জিনিষ জানতে,শিখতে, বুজতে।তাই অজানাকে জানার সেই আকাং্খা নিয়ে,মহান আল্লাহ তায়ালার অমীয় বাণি "তোমরা পৃথিবীর মাঝে বিচরন কর এবং আমার নিদর্শনাবলী দেখ" কে সামনে রেখে 'বড়লেখা ইয়ুথ ওয়েভ রিডারস ফোরাম' এর উদ্দুগে মৌলভিবাজার জেলার অন্তর্গত শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশ্যে এক শিক্ষা সফরের আয়জন করা হয়।লক্ষ্য হল সুন্দর্যের লীলাভূমি শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শনাদি দেখা।তো সেই লক্ষ্যে সকাল ৯.৩০ ঘটিকার সময় বড়লেখা থেকে শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হয়।একটু পরেই গিয়ে পৌছাবো শ্রীমঙ্গলে, এটা ভেবে মন আনন্দে মেতে উঠলো। পথিমধ্যে গাড়িতে বসেই কুইজ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়।যা সফরের আনন্দকে আরো বেগবান করে তুলে।যাই হোক দীর্ঘ সফর শেষে বেলা ১.০০ ঘটিকার সময় আমরা কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর লেকে গিয়ে পৌছি।

মাধবপুর লেক:

প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভুমি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত মাধবপুর লেক দেশী বিদেশী পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি স্থান। এটি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পাত্রখলা চা বাগানে অবস্থিত। মৌলভীবাজার থেকে ৪০ কিলোমিটার ও শ্রীমঙ্গল থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই মনোরম লেকটি।চা বাগানে চাষের ও অন্যান্য বিভিন্ন কারণে ব্যবহারের জন্য প্রচুর পানির প্রয়োজন হয় বলে পাবত্য অঞ্চলের বৃষ্টিবহুল এলাকাগুলোই চা চাষের জন্য সর্ব্বোৎকৃষ্ট। কিন্তু, এসব অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ অধিক হলেও ঢালু ভূমির কারণে পানি অধিক সময় অবস্থান করেনা বিধায় পানির প্রয়োজনে বাগান কর্তৃপক্ষ একাধিক জলাধার তৈরী করেন, যা প্রায় প্রতিটি চা বাগানের ক্ষেত্রেই অতি স্বাভাবিক ব্যাপার এবং স্থানীয় চা শ্রমিকরা এসব হ্রদকে "ডাম্প" বলে থাকে।। এরই ধারাবাহিকতায়, মাধবপুর চা বাগান কর্তৃপক্ষ ১৯৬৫ সালে বাগানের মধ্যস্থিত তিনটি টিলাকে বাঁধ দিয়ে পানি জমিয়ে রেখে গড়ে তোলেন মাধবপুর লেক।
সুনীল আকাশ, লেকের চারপাশের ঘাঢ় সবুজ পাহাড়, শিল্পীর তুলিতে আঁকা ছবির মত মনোরম চা বাগানের দৃশ্যে হারিয়ে যান আপন মনে। চারিদিকে সুউচ্চ পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত লেকটি সত্যি অপূর্ব। লেকের ঝলমল পানি, ছায়া সুনিবিড় পরিবেশ, শাপলা শালুকের উপস্থিতি আরও মনোমুগ্ধকর করে তুলে। আস্তে আস্তে যতই সামনের দিকে এগুতে থাকবেন ততই ভাল লাগবে। মাঝে মাঝে বানর ও হনুমানের লাফালাফির দৃশ্যও চোখে পড়ে। মাধবপুর লেকে গিয়ে পৌঁছতেই সবুজ পাতার গন্ধ যে কারো মনকে চাঙ্গা করে তুলবে। চারদিকে সবুজ পাহাড়। পাশাপাশি উঁচু উঁচু টিলা। সমতল চা বাগানে গাছের সারি। হয়তো এরই মাঝে একঝাঁক পাখি অতিথিদের আমন্ত্রণ জানাবে তাদের সুরের মুর্চ্ছনা দিয়ে। পাহাড়ী পাখির গান আর নৃত্য ছাড়াও দেখা যায় নানান প্রজাতির বন্যপ্রাণী। মাধবপুর লেক যেন প্রকৃতির নিজ হাতে অঙ্কিত মায়াবী নৈসর্গিক দৃশ্য। সুনীল আকাশ আর গাঢ় সবুজ পাহাড়, শিল্পীর তুলিতে আঁকা ছবির মত চা বাগানের এই মনোরম দৃশ্য আকর্ষন করে নিয়ে যাবে ভিন্ন জগতে। চারদিকে সুউচ্চ পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত লেকটি খুবই চমৎকার। প্রতিদিনই পর্যটকরা আসছেন মাধবপুর লেকে। শত শত বিনোদন প্রিয় পর্যটকদের পদভারে পুরো বছরই মুখরিত থাকে লেক।মাধবপুর লেকের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল লেকের চারপাশের উচু উচু পাহাড় গুলো।আমরা সবাই দুইটা গ্রুপে ভাগ হয়ে লেকের দুপ্রান্তের পাহাড় দিয়ে হেটে হেটে দেখছিলাম আর মনে মনে ভাবছিলাম যে আল্লাহ্‌ তায়ালার সৃষ্টি এত সুন্দর,না জানি তিনি কত সুন্দর।তবে মজার বিষয় হল আমাদের এই পাহাড়ি পথে সফর সংগি হিসেবে একটি কুকুরও ছিল।যতবার তাকে ফিরিয়ে দেই আবার চলে আসে।কি জানি কেন এমন করেছিল।আবার আসার সময়ও আমাদের সাথে সাথে ফিরে এসেছিল।যাই হোক,আমরা হাটতে হাটতে এত দূরে এসে পড়েছিলাম যে ফিরে যাওয়ার রাস্তাই ভুলে গিয়েছিলাম।এদিকে যাওয়ার সময়ও হয়ে গেছে,কি করব বুযতে পারছিলামনা।আমাদের সাথের কিছু ভাই চলে গিয়েছিল কিছুটা এসেই।কিন্তু আমি আবির ভাই,মাসুম ভাই,রেদওয়ান ভাই,শরিফুল ভাই এই পাঁচ জন না গিয়ে হাটতে হাটতে যে কুথায় এসেছি তার খেয়ালই করিনি।তো শেষ পর্যন্ত খুজতে খুজতে রাস্তা পেয়ে যাই এবং ফিরে আসি।যখন রাস্তা খুজে পাচ্ছিলামনা তখন খুব ভয় করেছিল।আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া যে আমরা রাস্তা খুজে পেয়েছিলাম।তা না হলে যে কি হত তা ভাবতেই ভয় করে।
যেভাবে যাবেন: এই লেকটি ঢাকা থেকে প্রায় ২০৭ কিলোমিটার এবং মৌলভীবাজার থেকে প্রায় ৩৯.৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ঢাকা থেকে সোহাগ পরিবহন, হানিফ পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, টি আর ট্র্যাভেলস সহ বিভিন্ন বাস শ্রীমঙ্গলের পথে চলাচল করে। এছাড়া ঢাকা থেকে কালিনী এক্সপ্রেস, পারাবত এক্সপ্রেস, জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস এবং উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনগুলো সিলেটে যাবার পথে শ্রীমঙ্গলে যাত্রাবিরতি করে। এছাড়া আকাশপথে ঢাকা থেকে সিলেটে পৌঁছে তারপর শ্রীমঙ্গলে যেতে পারেন আপনি।
শ্রীমঙ্গলে পৌঁছে আপনি সিএনজি অটোরিকশা অথবা বাসে করে শ্রীমঙ্গল-ভানুগাছ সড়ক ধরে এই লেকে পৌছাতে পারেন। এছাড়া আপনি ঢাকা থেকে সিলেটে পৌঁছে তারপর এখানে আসতে পারেন। সিলেট থেকে ৯৪.২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এঈ লেকে আপনি বাসে করে আসতে পারেন।
যাই হোক আমরা সেখান থেকে গাড়িতে করে নতুন তৈরিকৃত জান্নাতুল ফেরদৌস মসজিদ এলাকার দিকে রওয়ানা হই।

জান্নাতুল ফেরদৌস শ্রীমঙ্গল :

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি ও চায়ের রাজধানী খ্যাত উপজেলা মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পাহাড়ের চূড়ায় নির্মাণ করা হয়েছে একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ।
তুর্কি নকশায় নির্মিত মসজিদটি দেখতে এবং নামাজ আদায় করতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন অসংখ্য পর্যটক।
মসজিদটির নাম দেয়া হয়েছে মসজিদুল আউলিয়া খাজা শাহ্ মোজাম্মেল হক (রহ.)।
জানা যায়, উপমহাদেশ খ্যাত আধ্যাত্মিক সুফি-সাধক খাজা ইউনুছ আলী এনায়েতপুরীর (রহ.) উত্তরসূরি ছিলেন খাজা শাহ্ মোজাম্মেল হক (রহ.)।
খাজা শাহ্ মোজাম্মেল হক (রহ.) এর সাহেবজাদা খাজা টিপু সুলতান এ মসজিদটি এখানে নির্মাণ করিয়েছেন।
খাজা মোজাম্মেল হক (রহ.) ফাউন্ডেশনের এখানকার সমন্বয়কারী আরমান খান জানান, শ্রীমঙ্গল সদর থেকে প্রায় ৬-৭ কিলোমিটার দূরে বালিশিরা পাহাড়ের মহাজিরাবাদ এলাকায় এ মসজিদটির অবস্থান।
সমতল থেকে ৭০-৮০ ফুট উপরে পাহাড়ের চূড়ায় স্থাপিত মসজিদটিতে যেতে হয় ১৩৯টি সিঁড়ি পেরিয়ে। প্রায় ১৯ বিঘা জমির ওপর নির্মিত মসজিদের চারদিকেই রয়েছে সবুজ পাহাড়।
আর এসব পাহাড়ে রয়েছে চোখ জুড়ানো সবুজের আবরণ। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে রয়েছে সবুজ চা বাগানও। আরো রয়েছে লেবু ও আনারসের বাগান।
উপরে উঠার সিঁড়িগুলোর দুই পাশে সাদা আর মধ্যে দেয়া হয়েছে লাল রঙ। সবুজ প্রকৃতির সঙ্গে মিলিয়ে সাদা আর লাল রঙের মিশ্রণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
তাছাড়া মসজিদের পাশেই রাখা হয়েছে কবরস্থানের জায়গা। রয়েছে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের পরিবারের সদস্যদের বিশ্রামের জন্য গেস্ট হাউজও।
ভিআইপিদের আসার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে হেলিপ্যাডের। গরিব ও অসহায় মানুষের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করার জন্য রয়েছে একটি চিকিৎসাকেন্দ্র।
মসজিদের ভেতরে লাগানো দৃষ্টিনন্দন একটি ঝাড়বাতি আনা হয়েছে চীন থেকে। নানান জাতের ফুল গাছ লাগিয়ে সাজানো পুরো মসজিদ এলাকার নাম দেয়া হয়েছে জান্নাতুল ফেরদৌস।
দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ৮০০ লোক নামাজ পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে বলেও আরমান খান জানান। বর্তমানে এ মসজিদের পেশ ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মাওলানা মো: মুসলেহ্ উদ্দিন।
তিনি আরো বলেন, গত ২৪ নভেম্বর এ মসজিদে বার্ষিক ওরসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা খাজা এনায়েতপুরীর (রহ.) প্রায় আট হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে।
মসজিদটি পরিচালিত হচ্ছে খাজা মোজাম্মেল হক (রহ.) ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে।
বেলা ৩ঘটিকার সময় আমরা সেখানে গিয়ে পৌছে জামাতের সাথে যুহরের নামাজ আদায় করি।সেখানে কিছু ফটো সেশন করে আমরা দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য শ্রীমঙ্গলের বিখ্যাত পানসি হুটেলে যাই।খাওয়া শেষে সবাই চা খেয়ে আবার বেরিয়ে পড়ি নতুন জায়গায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে।এবার উদ্দেশ্য হল কাছেই অবস্থিত মুক্তিযুধ্যের ঐতিহ্য বহনকারী স্থান শ্রীমঙ্গলের 'বধ্যভূমি ৭১'।

বধ্যভূমি ৭১:

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি শ্রীমঙ্গলের ‘বধ্যভূমি ৭১’ আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বধ্যভূমিতে ২০১০ সালে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পর থেকে দর্শনার্থীদের ভীড় এখানে উপচে পড়ছে। এছাড়াও প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা আসেন বধ্যভূমি দেখতে।
শ্রীমঙ্গলে শহরের ভানুগাছ সড়কে বিজিবি’র সেক্টর হেড কোয়ার্টার সংলগ্ন বটকুঞ্জের নিচ দিয়ে প্রবাহিত ভুরভুরিয়া ছড়ার পাশে এর অবস্থান। সম্প্রতি এখানে পর্যটকদের সুবিধার্থে নির্মিত হয়েছে ‘সীমান্ত ৭১ ফ্রেশ কর্নার’সহ মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ‘মৃত্যুঞ্জয়ী ৭১’। ২০১০ সালের ১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর দৃষ্টিনন্দন স্মৃতিস্তম্ভ ও একাত্তরের স্মৃতি বিজড়িত বধ্যভূমিটি দেখতে মানুষ আসতে থাকেন এখানে। বর্তমানে এ স্থানটি এখন আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
বেলা ৪.৩০ ঘটিকার সময় আমরা সেখানে গিয়ে পৌছাই।সেখানে গিয়ে সবাইকে নিয়ে পুরষ্কার বিতরনি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 'বড়লেখা ইয়ুথ ওয়েভ রিডারস ফোরাম' এর সম্পাদক হাসনাত আহমদ শাকিল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা উপজেলার সাবেক বাইছ চেয়ারম্যান এমাদুল ইসলাম,ইয়ুথ ওয়েভ ফোরাম' মৌলভিবাজারের স্কুল সম্পাদক সাহেদ আহমেদ,ইয়ুথ ওয়েভ ফোরাম' মৌলভিবাজার জেলা সভাপতি আব্দুল মুমিত সহ বক্তব্য রাখেন আগত মেহমান ফয়সল আহমদ।এর পরপরই কুইজ প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার তুলে দেন মেহমানবৃন্দ।আর তারই সাথে সাথে শেষ হয় আমাদের শিক্ষা সফরের কার্যক্রম।তারপর আমরা আল আত্তার মসজিদে আসরের নামাজ আদায় করে রওয়ানা হই গন্তব্যস্থলের উদ্দেশ্যে।পথেই একটা মসজিদে মাগরিবের নামাজ আদায় করি।অবশেষে,রাত ৯ ঘটিকার সময় আমরা বড়লেখায় এসে পৌছি।এভাবেই সমাপ্ত হয় আমাদের একদিনের শিক্ষা সফরের।কিন্তু কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার "শেষ হয়েও হইলনা শেষ" কথাটির মত যেন আমাদের মনে আরো দেখার আরো জানার আকাঙখা রয়ে গেল।আমরা বাড়িতে ফিরে এসেছি ঠিকই কিন্ত আমাদের মন পড়ে রইল সুন্দরময় শ্রীমঙ্গলে।আমাদের কি সুন্দর একটি দেশ!আমার মন বারবার বলতে লাগল-"এমন দেশটি কুথাও খুজে পাবে নাকো তুমি/সকল দেশের রানী সে যে আমার জন্মভূমি।"
পরিশেষে সবাইকে শ্রীমঙ্গলে সফরে আসার আহ্বান জানাই।
চমৎকার
 

বর্ণমালা এন্ড্রয়েড এপ

নতুন যুক্ত হয়েছেন

Top