না বলা কিছু কথা ।। নীলা রহমান

Nila Rahman

নতুন ব্লগার
#1
cyxft9aviaa4hsd-jpg.140

কামরুন্নেছা ম্যাম এর ক্লাস চলছে, খুব মন দিয়ে ক্লাস করছি, এমন সময় ম্যাম এসে বললেন, " নীলা তোমার বাসা থেকে ফোন এসেছিল তোমাকে এক্ষুনি বাসায় যেতে হবে " জবাবে আমি হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়িয়ে বেরিয়ে এলাম ক্লাসরুম থেকে।

কলেজের মাঠ বরাবর আসতেই পিছন থেকে দীপ্ত ভাইয়া ডাকলো।

- কি রে কোথায় যাচ্ছিস?
- বাসায়।
- এখনই কেন?
- বাসা থেকে ফোন করেছিলো কেন জানি যেতে বললো।
- আচ্ছা তুই দাঁড়া আমিও আসছি।
- তুমি কি করে যাবে?
- পালিয়ে।
- দারোয়ান মামা!
- আরেহ,,, দেয়াল টপকে পিছনের বাগান দিয়ে আসবো তুই বাইরে গিয়ে অপেক্ষা কর।
- আচ্ছা।

দীপ্ত ভাইয়া আমার কাজিন, আমরা দুজন একই কলেজে পড়ি, আমি ফার্স্ট ইয়ার আর দীপ্ত ভাইয়া সেকেন্ড ইয়ার, আমার একমাত্র বন্ধু সে, আমরা একে অপরকে ছাড়া একটা মুহুর্তও কাঁটাতে পারি না।

হাঁটতে হাঁটতে বাসায় চলে এলাম, মা, ভাবী আরো সবাই কেমন যেনো আমাকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরলো, ভাবী বললেন ফ্রেস হয়ে নিতে, আমি এদের পাগলামি দেখে হাসব না কাঁদব তাই ভাবছি! যাই হোক অত ভেবে কাজ নেই খুব টায়ার্ড লাগছে একটু রেস্ট নিয়ে নেই।

বিছানায় শুয়ে মোবাইলে গেম খেলছি, হঠাৎ করে আমার হাতে মোবাইলটা নাই, তাঁকিয়ে দেখি ওটা ভাবীর হাতে, আমি কিছু বলতে যাবো তার আগেই ভাবী আমাকে টেনে হেঁচরে মেঝেতে ফেলে দিলো।

- এটা কী হলো?
- তোমাকে ফ্রেস হতে বলেছিলাম!
- হ্যাঁ,,, বাট.......?
- চুপচাপ যাও,,, আর কোন কথা হবে না।
- ওকে।

এই মহিলাটা না সব সময় জ্বালিয়ে মারে আমায়, ধূর কিচ্ছু ভাল্লাগে না।

ফ্রেস হয়ে এসে ড্রেসিংটেবিল এর সামনে দাঁড়িয়ে চুল গুলো শুকাচ্ছিলাম, এমন সময় আবারো ভাবী! হাতে এবার অনেক গুলো শাড়ি, আরো কিছু গয়না, মনে হচ্ছে বাপের বাড়ি যাবে, যাক বাবা এবার অন্তত কয়েক দিন এর জন্য রেহাই পাবো, খুব খুশি খুশি লাগছে।

- এদিকে এসো।
- ধূর বাবা,, আমি এসব শাড়ি টাড়ি পরাতে পারি না জানো তো সেটা নাকি?
- তোমাকে আসতে বলেছি না?
- হুম।
- চয়েজ করো।
- এই নীল রঙ এর টাই বেটার।

ভাবী শাড়িটা আমায় পরাতে শুরু করলো, কি হচ্ছে কিছু বুঝতেই পারতেছি না, শাড়ি, গয়না সব কিছু পরিয়ে একদম বউ সাজিয়ে দিয়েছে।

একটু পর ভাবী এসে আমাকে আমাদের গেস্ট রুমে নিয়ে গেলেন, সেখানে অনেকেই বসে আছেন, আমি বুঝতে পারলাম এরা সবাই আমার সাথে চিটিংবাজি করেছে, রাগে শরীরটাতে আগুন জ্বলছে।

তারপর আবার শুরু হলো আজাইড়া কিছু প্রশ্ন, মা তোমার নাম কি? কোন কলেজে পড়ো? কয় ভাই বোন? ইত্যাদি ইত্যাদি।

ধ্যাত এসব প্রশ্নের কোন মানে হয়? তারপরও প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিলাম।

আর যেই বেটা বিয়ে করবে তার ভাব দেখে তো মরে যেতে ইচ্ছে করছে, কিছুক্ষণ পর পর আঁড় চোখে তাঁকাচ্ছে আর মুচকি মুচকি হাসছে, মনটা চাচ্ছে হাতুড়ি দিয়ে দেই মুখে এক বারি যাতে করে সবকয়টা দাঁত খুলে পরে যায়, তারপর খুব কাছে গিয়ে বলি হাসো এবার হাবলু বাবু, কিন্তু সেটা তো এখন করা যাবে না, তাই কোন উপায় না পেয়ে দাঁতে দাঁত চেপে কিছু সময় কাঁটালাম সেখানে।

তারপর রুমে এসেই শুরু করলাম তোলপাড়, মা এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন যাতে আমার রাগটা একটু কমে কিন্তু আমার রাগ কমার বদলে আরো বেড়ে যাচ্ছে, ইচ্ছে হচ্ছে সবকিছু ছেড়ে দিয়ে চলে যাই এখান থেকে।

সন্ধ্যাতে বাবা আমার রুমে এলেন।

- এমন অবেলায় শুয়ে আছো কেন?
- এমনি,,, ভালো লাগছে না।
- ছেলে পছন্দ হয় নি?
- জানি না।
- দেখো মা,,, তুমি আমার এক মাত্র মেয়ে আমি চাই তুমি সবসময় হাসি খুশি থাকো, এর আগেও তুমি অনেক গুলো বিয়ে ভেঙে দিয়েছো, এতে করে আমি কত জনের কাছে কতটা অপমানিত হয়েছি সেটাতো তোমার অজানা নয়, তবুও তুমি যদি চাও তো এবারও সেটাই করো।
- না বাবা,,, এবার আর কিছু করবো না।
- সত্যি!
- হুম,,, সত্যি।

বাবা হাসি মুখে উঠে গেলেন, আমারও কোন দুঃখ নেই, মা, বাবার মুখের হাসিই তো সন্তানের জন্য সব থেকে বড় পাওয়া।

এই রে কলেজ থেকে আসার পর আজ আর একবারও দীপ্ত ভাইয়ার সাথে দেখা করি নি খুব রেগে আছে মনে হয়!

যাই এবার ওর রাগ ভাঙাই।

- এখানে বসে আছো যে!
- এমনি।
- আজ কেন মন খারাপ?
- কোন কারন ছাড়াই।
- কারন ছাড়াও মন খারাপ হয়?
- ওই কে বলছে তোরে আমার মন খারাপ?
- আমি জানি তো তোমার যখন মন খারাপ হয় তখন তুমি এখানেই বসে থাকো।
- তুই যাবি এখান থেকে?
- তাড়িয়ে দিচ্ছো?
- জানি না।
- আচ্ছা চলে যাচ্ছি।
- যা না,,, তুই চলে গেলে আমার কি?
- ঠিক আছে আর কখনো কথা বলবো না তোমার সাথে দেখে নিও!

অনেকটা অভিমান নিয়েই চলে এলাম সেখান থেকে।

রাত বারোটা কেন যেনো ঘুম আসছে না, দীপ্ত ভাইয়া একবারও এলো না আমার অভিমান ভাঙাতে, এমন তো কখনো হয় নি, আমি অভিমান করলে ভাইয়া সবসময় আমার অভিমান ভাঙাতো, কিন্তু আজ এমন কেন হলো? ধ্যাত ভাল্লাগে না।

এমন সময় জানালায় খট খট আওয়াজ, জানালাটা খুলে দিলাম, জানালার ওপাশে দীপ্ত ভাইয়া।

- ছাদে যাবি?
- নাহ্।
- কেন?
- ইচ্ছে করছে না।
- আমার উপর অভিমান করে তাই না?
- হুহ,,,আমার বয়েই গেছে তোমার উপর অভিমান করতে।
- আকাশে কিন্তু খুব সুন্দর একটা চাঁদ উঠেছে আজ।
- তাতে আমার কি?
- কিছু কদম ছিলো!
- যাকে ইচ্ছে তাকে দাও গিয়ে যাও।
- আচ্ছা যাচ্ছি,,, আইভিকে দিয়ে দেবো।
- হইছে আর ভাব নিতে হবে না তুমি দাঁড়াও আমি আসছি।

আমরা দুজনে প্রায় রাতেই আকাশ দেখি, রাতের আকাশটা ভীষণ ভালো লাগে আমার, হাজারো তারার আলোয় ছেয়ে থাকে আকাশটা, কত না ভালবাসায় চাঁদকে ঘিরে থাকে তারা গুলো।

সকাল বেলা ঘুম থেকে জাগতেই জানতে পারলাম আমার বিয়ের ডেট ফিক্সড হয়ে গেছে, সামনের শুক্রবার।

কি ভেবে যেনো মলিন মুখে মুচকি একটু হাসলাম।

আজ দীপ্ত ভাইয়ার সাথে বেরুনোর কথা, কোথায় যেনো নিয়ে যাবে বললো, সেই সাদা কালো শাড়িটা পরতে বলেছে আজ, যেটা ভাইয়া ভ্যালেন্টাইন ডে তে গিফট করেছিলো আমায়, ভাইয়া তো জানে আমি শাড়ি পরে হাঁটতে পারি না, তবুও বললো, আর বলেছে যখন তখন তো পরতেই হবে, আমি শাড়িটা পরে বেড়িয়ে এলাম।

ভাইয়া একটা নদীর ধারে নিয়ে গেলো আমায়, কি অপরুপ সেই দৃশ্য, নদীর টলমলে পানিতে নিজের ছবিটা অনায়াসেই দেখা যাচ্ছে।

ভাইয়া নদীর ওপারটা দেখিয়ে বললো, "যাবি ওখানে?
আমি মাথা ঝাঁকালাম।

নৌকায় করে চলে এলাম এপাড়ে, সাদা কাশফুলে ভরে আছে সবটা, ছোট ছোট পাখিদের কিচির মিচির শব্দে মেতে আছে চারদিক, এর আগে এত সুন্দর প্রকৃতি কখনো দেখি নি আমি, কিছু সময়ের জন্য নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম প্রকৃতির মাঝে।

- ভালো লেগেছে?
- অনেক ভালো লেগেছে।
- আচ্ছা চল এবার বাসায় ফিরে যাই!
- হুম চলো।

সেদিনের পর থেকে আজ এই পর্যন্ত আরো অনেক সুন্দর সময় কাঁটিয়েছি দীপ্ত ভাইয়ার সাথে, আসলে সবটা ভাইয়ারই চাওয়ায়।

আজ শুক্রবার, বিয়ের সমস্ত আয়োজন শুরু হয়ে গেছে, দীপ্ত ভাইয়াও খুব কাজ করছে, আমি চুপটি করে বসে আছি, সবাই কত ব্যস্ত আজ, দীপ্ত ভাইয়া আজ একবারের জন্যেও এলো না আমার কাছে।

বিয়ে হয়ে গেলো, শুরু হলো আমার নতুন জীবন, নতুন ভাবে পথ চলা, এখন আর আমি একা নই, সাথে আর একজন আছে।

ধরে নিলাম সংসারের হাল, হারিয়ে গেলো পিছনে ফেলে আসা দিন গুলো, কেঁটে গেছে অনেক গুলো বছর।

আজ আমার একমাত্র মেয়ে নিহার জন্মদিন, আমার বাবা, মা আত্নিয়স্বজন সবাই এসেছেন তাদের সাথে দীপ্ত ভাইয়াও এসেছে।

অনুষ্ঠান শেষ হলো, রাত তিনটে বেজে গেছে, সবাই যার যার রুমে চলে গেছে, ছাদের ওপাশটা দিয়ে আসার সময় কারও কথা বলা শুনতে পেলাম, এগিয়ে গেলাম সেদিকে।

নিহা আর দীপ্ত ভাইয়া কথা বলছে।

- ঘুমোতে হবে না?
- মা তুমি যাও আমি আজ এই মামাটার সাথে সারা রাত জেগে আকাশ দেখবো। (নিহা)
- সারা রাত জাগলে শরীর খারাপ করবে তো! (আমি)
- অত ভেবো না তুমি, নিহা না হয় আজ আমার সাথেই ঘুমাবে! (দীপ্ত ভাইয়া)
- আচ্ছা ঠিক আছে।

চলে আসছিলাম নিজের রুমে, হঠাৎ মনে পরলো দীপ্ত ভাইয়ার বিছানাটা একটু গুছিয়ে দিয়ে আসি, বিছানাটা ঝাড়ার সময় ওখানে একটা ডায়েরী দেখতে পেলাম, ওপরের একটা পাতাতে লেখা.....

"আজ অনেক দিন পর আবার আমার অভিমানির সাথে দেখা হয়ে গেলো, ভাবিও নি কখনো আর দেখা হবে ওর সাথে কারন আমি তো ওর থেকে পালিয়ে থাকতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ভাগ্য সেটা হতে দেয় নি দেখা হয়েই গেলো, বাসায় আসতেই কাকা, কাকিমা, সবাই এমন ভাবে ধরলো যে না এসে পারলাম না, অভমানিটা এখন অনেকটা পাল্টে গেছে , একদম আর আগের মত নেই, চশমা, শাড়ি সবকিছুতে খুব মানিয়েছে ওকে, খুব ভালো লাগছে ওর সুখ দেখে"।

কথা গুলো পড়ার পর বুকের ভেতরটাতে কেমন যেনো করে উঠলো, ডায়েরীর প্রথম পাতা থেকে পড়া শুরু করলাম।

"১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবস, আজ আমি তাকে ভালবাসি বলবো বলে রাত ১২টায় পুুকুর পাড়ে ডেকেছিলাম, কিন্তু সে কাছে আসতেই সবকিছু কেমন যেনো ওলট পালট হয়ে গেলো, বলতেই পারলাম না আমি তাকে ভালবাসি, ওর জন্য একটা শাড়ি কিনেছিলাম, ওটা হাতে দিয়ে বললাম কাল এটা তোর জন্য কিনেছিলাম, নিবি? ও ভ্রু কুঁচকে বললো "কিন্তু আমি যে শাড়ি পরতে পারি না", তখন ওকে এত্ত মায়াবী লাগছিলো মনে হয়েছিলো পৃথিবীর সব কিছু ওর কাছে হার মেনে যাবে।"

" এপ্রিল এর ১১ তারিখ, ছেলে পক্ষ আজ অভিমানিকে দেখতে আসছে, ভেবেছিলাম প্রত্যেক বারের মত এবারও বিয়েটা ভেঙে দেবো আমরা, কিন্তু ভাবীর কাছে শুনলাম ও বিয়ে করতে রাজী হয়ে গেছে, খুব কষ্ট পেয়েছিলাম, অভিমানি এসেছিলো আমার কাছে, আবার অভিমান করে চলেও গিয়েছিলো আমার অভিমানটা বুঝতে পারে নি ও, সেদিন রাতে ও যখন আমার হাতে হাত রেখে এক মনে আকাশ দেখছিলো, আমি তখন ওর হাতের দিকে তাঁকিয়ে, মনকে বার বার একটা প্রশ্নই করেছিলাম, ও কি সারাজীবন আমার এই হাতটা ধরে থাকতে পারতো না? "

এপ্রিল এর ১২ তারিখ, আজ ওকে নিয়ে ঘুরতে এসেছি, সাদা কালো শাড়িটাতে খুব সুন্দর লাগছিলো আমার অভিমানিকে, আরে ধূর ও তো এখন আমার নেই, অন্য কারও হয়ে গেছে, আজ সকালেই তো শুনলাম ওর বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে, তবুও ও যখন সাদা কাশফুলেদেরকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে হাসছিলো, তখন খুব ইচ্ছে করছিলো আমার চিৎকার করে বলি, আমি তোমাকে ভালবাসি, কিন্তু বলতে পারি নি।"

"১৮ এপ্রিল অভিমানি আজ আমায় ছেড়ে
চলে যাবে, ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে তবুও কাওকে কিছু বুঝতে দেওয়া যাবে না, অভিমানিকে তো নয়ই, সারাদিন বিয়ের সমস্ত কাজ করলাম আমি, বিয়েটা হয়ে গেলো, আমার চোখের সামনেই আমার অভিমানি
অন্য কারও হয়ে গেলো, চলে গেলো সে অনেক দূরে, আমার ধরা ছোঁওয়ার বাইরে, আর কখনো ও আমার কাছে আসবে না, এটা,সেটা চেয়ে বায়না ধরবে না, পারবো না বললে অভিমান করে গাল ফুলিয়ে বসে থাকবে না, আমি আর কখনো ওর অভিমান ভাঙাতে পারবো না, এসব ভেবে খুব কান্না পাচ্ছে আমার, বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে একাকার হয়ে যাচ্ছে।

গভীর রাত সবাই ঘুমোচ্ছে কিন্তু আমি কেন ঘুমোতে পারছি না? কেন বার বার অভিমানির হাসি মুখটা ভেসে ওঠছে চোখের সামনে? বুঝতে পারলাম এখানে থাকলে আমি ওকে কখনোই ভুলতে পারবো না, তাই রাতের অন্ধকারেই চলে গেলাম অজানা কোন এক নতুন পথের সন্ধানে, সবার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিলাম, হারিয়ে গেলাম আমার অভিমানির থেকে অনেক দূরে।"

লাস্ট একটা পাতায় লেখা, "এত সব কিছুর মাঝে একটাই সত্যি আমি আজও তাকেই ভালোবাসি।"

♥ভালো থাকুক আমার অভিমানি♥

ডায়েরীটা পড়ার সময় কতটা কাঁদলাম তা নিজেরও অজানা, পরক্ষনেই নিজেকে সামলে নিলাম, ততক্ষনে প্রায় সকাল হয়ে গেছে, নিহা আর দীপ্ত ভাইয়া এখনো ছাদ থেকে নেমে আসে নি, আমি ওদেরকে ডাকতে গেলাম, ওরা তখনও গল্প করছিলো, নিহা বলছিলো "তোমার অভিমানি খুব পঁচা ও কেন বুঝতে পারলো না তুমি ওকে ভালোবাসো? দীপ্ত ভাইয়া বললো, "আমি যে ওকে কখনো বলতেই পারি নি আমি ওকে ভালোবাসি"।

আমি আর সামনের দিকে পা বাড়াতে পারলাম না, দীপ্ত ভাইয়ার মুখোমুখি হওয়ার সাহস হচ্ছিলো না, ফিরে এলাম কঠিন বাস্তবতায়।।

সমাপ্ত.........
 

বর্ণমালা এন্ড্রয়েড এপ

ফেসবুকে বর্ণমালা ব্লগ

নতুন যুক্ত হয়েছেন

Top