• সুখবর........ সুখবর........ সুখবর........ বর্ণমালাকে খুব শিঘ্রই পাওয়া যাবে বাংলা বর্ণমালার ডোমেইন "ডট বাংলায়" অর্থাৎ আমাদের ওয়েব এড্রেস হবে 'বর্ণমালাব্লগ.বাংলা' পাশাপাশি বর্তমান Bornomalablog.com এ ঠিকানায়ও পাওয়া যাবে। বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণতা পাবে আমাদের বর্ণমালা।

পারমাণবিক শক্তি সম্পর্কিত ধারনা এবং বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও ঝুকি.....!

Md Zubayer

নতুন সদস্য
#1
সময়ের সাথে সাথে পরমাণু শক্তির দিকে ঝুকছে বাংলাদেশ, সময়ের প্রয়োজনেই এটা হচ্ছে কিন্তু দেশের বেশির ভাগ মানুষই এ বিষয়ে সাধারন ধারনাও অজ্ঞ, হোক সে প্রচলিত উচ্চ শিক্ষিত বা শিক্ষিত। রুপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রটি একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ভিত্তিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। বাংলাদেশ সরকারের এই মহা সাহসী উদ্যোগের নানা প্রক্রিয়া ও চুক্তি সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই ধারনা আছে কিন্তু পরমাণু শক্তি বা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট সম্পর্কে আমাদের ধারনা কম বললেই চলে। এর সুবিধা ও সম্ভবনার সাথে সাথে এর হুমকি ও ক্ষতি কি কি হতে পারে এবং সে ক্ষতি নিয়ন্ত্রনে রাখার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকা উচিত। আমি নিজে পরিবেশবাদী,পরিবেশ সংরক্ষন এবং এর দূষণ কমিয়ে আনতে সামান্য হলেও অবদান রাখতে মানসিকতা রাখি, তাই এ বিষয়ে ঘাটাঘাটি করছি।
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ভৌত বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সেবা দিয়ে যাচ্ছে, বর্তমানে জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব বিস্তারকারী বিভিন্ন খাত যেমন- স্বাস্থ্য, পরিবেশ, বাণিজ্য, কৃষি, শিল্প প্রভৃতি ক্ষেত্রের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তার উপর যথাযথ গুরুত্ব আরোপ করে পরমাণু শক্তি কেন্দ্রর সেবা কার্যক্রম গৃহীত ও পরিচালিত হয়। এছাড়া মানব স্বাস্থ্য, পরিবেশ, বিধ্বংসী পরীক্ষা, রেডিয়েশন থেকে সুরক্ষা ইত্যাদি সংক্রান্ত অনেক ফলপ্রসূ এবং কার্যকর সেবা প্রদান করে আসছে। একই সাথে সচেতনতা বারাতে ও এ বিষয়ে বিভিন্ন ভুল ধারনা সম্পর্কে জানাতে বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে রেখেছে। এছাড়াও পরমাণু শক্তি বিষয়ে এবং এর তেজস্ক্রিয়তা সম্পর্কে একটি বুকলেট প্রকাশ করেছে।
রাশিয়ায় পারমাণবিক তথ্যকেন্দ্রগুলো পরিদর্শনকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ভিত্তিতে নিবার্চিত কিছু প্রশ্নে ও উত্তর নিয়ে পারমাণবিক শক্তি সম্পর্কে এই বুকলেটি প্রকাশিত হয়। এটি জনমনে তেজস্ক্রিয়তা ভীতি, পারমাণবিক শক্তি সম্পর্কে অজ্ঞতা ও ভুল ধারনা দূরীকরণের লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্নোত্তর আকারে রচিত।
যদিও এটি পারমাণবিক বিষয়ে পরিপূর্ণ বলা যাবে না কিন্তু এটি দ্বারা বর্তমান বিশ্বে পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন ক্ষেত্রে বিদ্যমান অবস্থা সম্পর্কে মোটামুটি ধারনা হবে। জাপানের ফুকুশিমা-১ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুর্ঘটনার পর এ জাতীয় স্থাপনার নিরাপত্তা, রেডিয়েশন নিরাপত্তা ও তেজস্ক্রিয় বর্জ্যসংক্রান্ত নানা ধারনা প্রাধান্য পেয়েছে এই বুকলেটে।
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বিভিন্ন সেবা এবং বুকলেটের প্রশ্নোত্তর নিয়ে এক সাথে লেখা সম্ভব নয় তাই প্রয়োজনীয় পর্বে ধাপে ধাপে এ বিষয়ে সাধারন ও সংক্ষিপ্ত আলোকপাত করা হবে।

প্রথম পর্বঃ-
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এর বিষয় ভিত্তিক বিভিন্ন সেবার মধ্যে একটি হলো "ইলেকট্রনিক্স সেবা" সেবা গুলো হলো..............
★ আধুনিক ইলেক্টনিক্স যন্ত্রপাতি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা।
★ ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে সেবা প্রদান।
★বস্তু বিজ্ঞান সংক্রান্ত সেবা ও দেশের বিভিন্ন শিল্প-কারখানা, শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে এক্স-রে ডিফ্র্যাক্ট্রোমিটার, স্ক্যানিং ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ ইত্যাদির মাধ্যমে সেবা প্রদান।

#বুকলেট প্রশ্ন নং-১
তেজস্ক্রিয় বিকরণ থেকে নিরাপত্তার মূল নীতিগুলো কি?
উত্তরঃ- স্বাভাবিক অবস্থায় নিরাপত্তার মূল নীতিগুলো হচ্ছে.....

*মাত্রা নির্ধারণঃ আইয়োনাইজিং রেডিয়েশনের সকল উৎস থেকে একজন মানুষ যে পরিমান রেডিয়েশন ডোজ লাভ করবে তা যেন অনুমোদনযোগ্য ব্যক্তিগত ডোজের সীমা অতিক্রম না করে।

*যৌক্তিকতাঃ আয়োনাইজিং রেডিয়েশনের উৎস নিয়ে সেই সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা যার
ruppur-power-plant-copy-jpg.294
জন্য প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত ডোজের অতিরিক্ত রেডিয়েশন ডোজ লাভ হয় এবং একারনে যে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে তা মানুষ ও সমাজ কর্তৃক প্রপ্ত লাভের চেয়ে বেশি।
 
Last edited:

বর্ণমালা এন্ড্রয়েড এপ

নতুন যুক্ত হয়েছেন

Top