বাবার প্রতি মেয়ের অভিমান

#1
শ্রোদ্ধেহ্ আব্বু,,,,
আস্সালামু আলাইকুম। আশা করি ভালো থাকবেন। ভালো থাকারই তো কথা! মাথার উপর থেকে এত বড় একটা বোঝা নামাতে পেরেছেন আজ। আচ্ছা আব্বু! আমি কি আপনাদের কাছে এতটাই বোঝা হয়ে গিয়েছিলাম? কই ছোট বেলায় তো এই বিষয়টা কখনো বুঝতে দেননি কেউ। আব্বু তাহলে কী সব অভিনয় ছিলো আপনাদের? আপনাদের মায়া-মমতা, আদর-ভালোবাসাগুলো কী সত্যিই অভিনয় ছিলো? কিভাবে পারলেন এমন করে অন্যের হাতে তুলে দিতে? এই আপনাদের ভালোবাসা? যাক এইবার তো আপনি নিশ্চিন্তে জীবন কাটাতে পারবেন। ঝামেলা দূর হয়েছে কিনা!!!!!!!
...................................

চিঠিটা পড়তে - পড়তে আফজ্জাল সাহেব হুঁ হুঁ করে কেঁদে উঠলো। এইতো কিছুক্ষণ আগে ছোট মেয়েটাকে গাড়িতে উঠিয়ে দিয়ে আসল সবাই মিলে। বাড়িটা আজ কত সুন্দর করে সাঁজানো হয়েছে। লাল-নীল বাতিগুলো চারিদিকে জ্বলছে আর নিভছে। একদিন আগেও বাড়িটা জম-জমাট চলছিল। বাড়ির সব চেয়ে ছোট মেয়েটার বিয়ে বলে কথা। মেয়েটাকে বিদায় জানানোর পর থেকে বুকের ভেতরটা কেমন যেন অস্থিরতা কাজ করছিলো। এক মূহূর্তে সারা বাড়িটা যেন নিস্তব্দ হয়ে গেছে।
মেয়ের রুমটা ঘুড়ে ফিরে দেখছিলো আফজ্জাল সাহেব। আচঁমকা মেয়ের পড়ার টেবিলে কাগজটা ভাঁজ করে রাখা দেখেই খুলে পড়তে শুরু করল তিনি। মেয়েকে বিদায়ের সময় এক ফোঁটাও কাঁদতে পারেনি মানুষটা।
ভেতরটা কেমন পাথর হয়ে গিয়েছিল তার। চিঠিটা পড়ার পর যেনো বুকের পাথরটা বরফের মত গলে চোখ দিয়ে গড়িয়ে পরছিল। কী করে বুঝাবে সে, সমাজের নিয়ম টা এমনি। এই নিয়মে বাঁধা প্রতিটা নারী। মেয়ে হয়ে জন্মানো মানেই পরের ঘরে যাওয়া।

চশমাটা খুলে চোখের পানি গুলো মুছার চেষ্টা করছে আফজ্জাল সাহেব। বৃথা চেষ্টা! যে চেষ্টার কোনো সফলতা নেই। পানিগুলো বাধ মানছে না যে তার। বেলকনিতে গিয়ে চেয়ার টায় হেলান দিয়ে বসে পরলো তিনি। মনে পরে গেলো ছোট বেলার কথা গুলো। মেয়েটা বড় মেয়েগুলোর থেকে অনেক আলাদা ছিল। আব্বুকে ছাড়া কিচ্ছু বুঝত না। যখন-তখন বায়না ধরে বসত।
কত যে পাগলামী করত মেয়েটা। আব্বুর ভাগ কখন আপুদের দিতে চায়ত না সে।
মেয়েকে যখন খুব বেশি মনে পরে, তখন আফজ্জাল সাহেব হেমন্ত মুখোপাধ্যায় আর শ্রাবন্তী মজুমদার এর গানটা গলা ছেড়ে গাইতে থাকে।

[কাটে না সময় যখন আর কিছুতে। বন্ধুর টেলিফোনে মন বসে না। জানলার গ্রিলটাতে ঠেকাই মাথা, মনে হয় বাবার মত কেউ বলে না।
আয় খুকু আয়.....॥]

এক সময় আর গাইতে পারে না সে। কন্ঠ স্বর ভারী হয়ে আসে তার। কোনো-কোনো সময় অঝরে কাঁদে ফেলেন কোন এক অজানা কষ্টে। কোনমতে নিজেকে সামলিয়ে নেয় নিজেকে।
‌‌‌‌‌....................‌‌‌‌‌.‌‌...........

প্রায় দু বছর হতে চলেছে। এই দুই বছরে ঐশী একবারও ফোন করেনি পরিবারের কারোর সাথে। একটাই জেদ ছিল তার, পরিবার যখন স্বার্থপর হতে পেরেছে আমি কেনো পারবো না?
বিয়ের পরেই নিরব তাকে নিয়ে প্রবাসে চলে যায়। সেদিন বাসায় ফোন করে বলে ছিল, তাদের একটা পুতুলের মতো মেয়ে সন্তান জন্ম হয়েছে। দেখতে ঠিক যেন ঐশীর মতো।
আফজ্জাল সাহেব আনন্দে আত্মহারা হলেও মেয়ে আর নাতনীকে দেখার জন্য ছটফট করতে থাকে। হঠাৎ সেদিন তিনি সিড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যায়। দ্রুত হসপিটালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তার চিকিৎসা শুরু করে। অজ্ঞান হওয়ার আগে শুধু একবার বলেছিল ঐশী!!

আজ প্রায় দু'দিন হতে চল্লো তিনি আই.সি.ইউ তে রয়েছে। বাসার সবাই কান্নায় ভেঙে পরে। এখনও তার জ্ঞান ফিরেনি। ডাক্তার ৭২ঘন্টা সময় দিয়েছে। প্রায় ৭০ঘন্টা শেষ হতে চলেছে।
কিছুক্ষণ পর মুখের উপর বৃষ্টির ফোঁটা পরার কারনে আফজ্জাল সাহেব এর জ্ঞান ফিরল। তিনি খেয়াল করল তার মাথায় কেউ হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। বুঝতে তার বাকি রইল না যে, সে গুলো কোনো বৃষ্টি নয়, কারোর চোখের নুন্তা পানি।
তিনি অপলক তাকিয়ে আছে তার দিকে। চোখে হাজারও প্রশ্ন নিয়ে মুখে একটাই প্রশ্ন ছিল:

আব্বু'র উপর এত টা অভিমান ছিল রে মা?

ঐশী আর চুপ থাকতে পারেনা। আব্বুকে জড়িয়ে ধরে ভেঙে পরে বোবা কান্নায়। যে কান্নার কোনো শব্দ নেই, শুধু ভিঁজে যাচ্ছে মুখ লুকানো বাবার বুকটা। আফজ্জাল সাহেবও খুব ভালো করে জানেন এত বছর তিনি যতটা কষ্টে ছিল, মেয়েটাও ঠিক ততটাই কষ্ট পেয়েছে। তাই আর বাঁধা দেয়নি সে। সে ভাবছে মেয়েকে কাঁদতে দিলে হয়ত মনের কষ্ট গুলো হালকা হবে। কাঁদুক না কিছুটা সময় ক্ষতি কী তাতে?

আফজ্জাল সাহেব কিছুটা সুস্থ্য হলে তাকে বাসায় নিয়ে আসা হয়। একটা মূহুর্তের জন্যও তিনি ঐশীকে চোখের আড়াল করেনি তিনি। সবসময় ঐশীর হাতটা ধরে রেখেছে, একটাই ভয় মেয়েটা আবার পমার উপর অভিমান করবে না তো? আবার হারিয়ে যাবে না তো?
আজ চার দিন হল ঐশী দেশে ফিরেছে। সবার যে কী আনন্দ হচ্ছে! সব চেয়ে বেশি খুশি আফজ্জাল সাহেব। নাতনীকে পেয়ে উনি যেন নিজের শৈশবে ফিরে গেলেন। নাতনীর নাম রাখলে উপমা। এল নামটা নাকি তার শৈশব কালের কোন এক বান্ধবীর নাম। এমন কথায় ঐশীর মা তো খুব রেগে রুমে দরজা দিল। এই দিকে আফজ্জাল সাহেব তো বিজয়ের হাসি হেসেই চলেছে। ঐশীকে ডেকে বলে, বুঝলি মা তোর মাকে রাগাতে আমার বড্ড ভালো লাগে। রেগে গেলে লাল টমেটোর মতো লাল হয়ে যায়। আহা এ দৃশ্যে দেখতে কতটা ভালো লাগে তা যদি তোর মা বুঝত।
হ্যাঁ রে মা তুই কী আবার আমাকে একা ফেলে চলে যাবি?

ঐশী কথা বলে না, শুধু চোখের কোণটা ভিঁজে আসে তার। না চাইলেও যে আগামীকাল তাকে যেতেই হবে। এটাই যে নিয়ম, আর সে নিয়মে প্রতিটা নারী বাঁধা। এই দুই বছরে ঐশী ঠিকি বুঝতে পেরেছে নিয়মের নিয়মগুলো। ইচ্ছে না থাকলেও ছেড়ে চলে যেতে হবে আবার দু এক বছরের জন্য। আবার হয়তো আফজ্জাল সাহেব মাঝে-মাঝে বেলকনিতে বসে চোখের লোনা পানিগুলো ছেড়ে গাইবে আয় খুকু আয়
 

Khaled Al Mahmud

সুপার ব্লগার
#5
শ্রোদ্ধেহ্ আব্বু,,,,
আস্সালামু আলাইকুম। আশা করি ভালো থাকবেন। ভালো থাকারই তো কথা! মাথার উপর থেকে এত বড় একটা বোঝা নামাতে পেরেছেন আজ। আচ্ছা আব্বু! আমি কি আপনাদের কাছে এতটাই বোঝা হয়ে গিয়েছিলাম? কই ছোট বেলায় তো এই বিষয়টা কখনো বুঝতে দেননি কেউ। আব্বু তাহলে কী সব অভিনয় ছিলো আপনাদের? আপনাদের মায়া-মমতা, আদর-ভালোবাসাগুলো কী সত্যিই অভিনয় ছিলো? কিভাবে পারলেন এমন করে অন্যের হাতে তুলে দিতে? এই আপনাদের ভালোবাসা? যাক এইবার তো আপনি নিশ্চিন্তে জীবন কাটাতে পারবেন। ঝামেলা দূর হয়েছে কিনা!!!!!!!
...................................

চিঠিটা পড়তে - পড়তে আফজ্জাল সাহেব হুঁ হুঁ করে কেঁদে উঠলো। এইতো কিছুক্ষণ আগে ছোট মেয়েটাকে গাড়িতে উঠিয়ে দিয়ে আসল সবাই মিলে। বাড়িটা আজ কত সুন্দর করে সাঁজানো হয়েছে। লাল-নীল বাতিগুলো চারিদিকে জ্বলছে আর নিভছে। একদিন আগেও বাড়িটা জম-জমাট চলছিল। বাড়ির সব চেয়ে ছোট মেয়েটার বিয়ে বলে কথা। মেয়েটাকে বিদায় জানানোর পর থেকে বুকের ভেতরটা কেমন যেন অস্থিরতা কাজ করছিলো। এক মূহূর্তে সারা বাড়িটা যেন নিস্তব্দ হয়ে গেছে।
মেয়ের রুমটা ঘুড়ে ফিরে দেখছিলো আফজ্জাল সাহেব। আচঁমকা মেয়ের পড়ার টেবিলে কাগজটা ভাঁজ করে রাখা দেখেই খুলে পড়তে শুরু করল তিনি। মেয়েকে বিদায়ের সময় এক ফোঁটাও কাঁদতে পারেনি মানুষটা।
ভেতরটা কেমন পাথর হয়ে গিয়েছিল তার। চিঠিটা পড়ার পর যেনো বুকের পাথরটা বরফের মত গলে চোখ দিয়ে গড়িয়ে পরছিল। কী করে বুঝাবে সে, সমাজের নিয়ম টা এমনি। এই নিয়মে বাঁধা প্রতিটা নারী। মেয়ে হয়ে জন্মানো মানেই পরের ঘরে যাওয়া।

চশমাটা খুলে চোখের পানি গুলো মুছার চেষ্টা করছে আফজ্জাল সাহেব। বৃথা চেষ্টা! যে চেষ্টার কোনো সফলতা নেই। পানিগুলো বাধ মানছে না যে তার। বেলকনিতে গিয়ে চেয়ার টায় হেলান দিয়ে বসে পরলো তিনি। মনে পরে গেলো ছোট বেলার কথা গুলো। মেয়েটা বড় মেয়েগুলোর থেকে অনেক আলাদা ছিল। আব্বুকে ছাড়া কিচ্ছু বুঝত না। যখন-তখন বায়না ধরে বসত।
কত যে পাগলামী করত মেয়েটা। আব্বুর ভাগ কখন আপুদের দিতে চায়ত না সে।
মেয়েকে যখন খুব বেশি মনে পরে, তখন আফজ্জাল সাহেব হেমন্ত মুখোপাধ্যায় আর শ্রাবন্তী মজুমদার এর গানটা গলা ছেড়ে গাইতে থাকে।

[কাটে না সময় যখন আর কিছুতে। বন্ধুর টেলিফোনে মন বসে না। জানলার গ্রিলটাতে ঠেকাই মাথা, মনে হয় বাবার মত কেউ বলে না।
আয় খুকু আয়.....॥]

এক সময় আর গাইতে পারে না সে। কন্ঠ স্বর ভারী হয়ে আসে তার। কোনো-কোনো সময় অঝরে কাঁদে ফেলেন কোন এক অজানা কষ্টে। কোনমতে নিজেকে সামলিয়ে নেয় নিজেকে।
‌‌‌‌‌....................‌‌‌‌‌.‌‌...........

প্রায় দু বছর হতে চলেছে। এই দুই বছরে ঐশী একবারও ফোন করেনি পরিবারের কারোর সাথে। একটাই জেদ ছিল তার, পরিবার যখন স্বার্থপর হতে পেরেছে আমি কেনো পারবো না?
বিয়ের পরেই নিরব তাকে নিয়ে প্রবাসে চলে যায়। সেদিন বাসায় ফোন করে বলে ছিল, তাদের একটা পুতুলের মতো মেয়ে সন্তান জন্ম হয়েছে। দেখতে ঠিক যেন ঐশীর মতো।
আফজ্জাল সাহেব আনন্দে আত্মহারা হলেও মেয়ে আর নাতনীকে দেখার জন্য ছটফট করতে থাকে। হঠাৎ সেদিন তিনি সিড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যায়। দ্রুত হসপিটালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তার চিকিৎসা শুরু করে। অজ্ঞান হওয়ার আগে শুধু একবার বলেছিল ঐশী!!

আজ প্রায় দু'দিন হতে চল্লো তিনি আই.সি.ইউ তে রয়েছে। বাসার সবাই কান্নায় ভেঙে পরে। এখনও তার জ্ঞান ফিরেনি। ডাক্তার ৭২ঘন্টা সময় দিয়েছে। প্রায় ৭০ঘন্টা শেষ হতে চলেছে।
কিছুক্ষণ পর মুখের উপর বৃষ্টির ফোঁটা পরার কারনে আফজ্জাল সাহেব এর জ্ঞান ফিরল। তিনি খেয়াল করল তার মাথায় কেউ হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। বুঝতে তার বাকি রইল না যে, সে গুলো কোনো বৃষ্টি নয়, কারোর চোখের নুন্তা পানি।
তিনি অপলক তাকিয়ে আছে তার দিকে। চোখে হাজারও প্রশ্ন নিয়ে মুখে একটাই প্রশ্ন ছিল:

আব্বু'র উপর এত টা অভিমান ছিল রে মা?

ঐশী আর চুপ থাকতে পারেনা। আব্বুকে জড়িয়ে ধরে ভেঙে পরে বোবা কান্নায়। যে কান্নার কোনো শব্দ নেই, শুধু ভিঁজে যাচ্ছে মুখ লুকানো বাবার বুকটা। আফজ্জাল সাহেবও খুব ভালো করে জানেন এত বছর তিনি যতটা কষ্টে ছিল, মেয়েটাও ঠিক ততটাই কষ্ট পেয়েছে। তাই আর বাঁধা দেয়নি সে। সে ভাবছে মেয়েকে কাঁদতে দিলে হয়ত মনের কষ্ট গুলো হালকা হবে। কাঁদুক না কিছুটা সময় ক্ষতি কী তাতে?

আফজ্জাল সাহেব কিছুটা সুস্থ্য হলে তাকে বাসায় নিয়ে আসা হয়। একটা মূহুর্তের জন্যও তিনি ঐশীকে চোখের আড়াল করেনি তিনি। সবসময় ঐশীর হাতটা ধরে রেখেছে, একটাই ভয় মেয়েটা আবার পমার উপর অভিমান করবে না তো? আবার হারিয়ে যাবে না তো?
আজ চার দিন হল ঐশী দেশে ফিরেছে। সবার যে কী আনন্দ হচ্ছে! সব চেয়ে বেশি খুশি আফজ্জাল সাহেব। নাতনীকে পেয়ে উনি যেন নিজের শৈশবে ফিরে গেলেন। নাতনীর নাম রাখলে উপমা। এল নামটা নাকি তার শৈশব কালের কোন এক বান্ধবীর নাম। এমন কথায় ঐশীর মা তো খুব রেগে রুমে দরজা দিল। এই দিকে আফজ্জাল সাহেব তো বিজয়ের হাসি হেসেই চলেছে। ঐশীকে ডেকে বলে, বুঝলি মা তোর মাকে রাগাতে আমার বড্ড ভালো লাগে। রেগে গেলে লাল টমেটোর মতো লাল হয়ে যায়। আহা এ দৃশ্যে দেখতে কতটা ভালো লাগে তা যদি তোর মা বুঝত।
হ্যাঁ রে মা তুই কী আবার আমাকে একা ফেলে চলে যাবি?

ঐশী কথা বলে না, শুধু চোখের কোণটা ভিঁজে আসে তার। না চাইলেও যে আগামীকাল তাকে যেতেই হবে। এটাই যে নিয়ম, আর সে নিয়মে প্রতিটা নারী বাঁধা। এই দুই বছরে ঐশী ঠিকি বুঝতে পেরেছে নিয়মের নিয়মগুলো। ইচ্ছে না থাকলেও ছেড়ে চলে যেতে হবে আবার দু এক বছরের জন্য। আবার হয়তো আফজ্জাল সাহেব মাঝে-মাঝে বেলকনিতে বসে চোখের লোনা পানিগুলো ছেড়ে গাইবে আয় খুকু আয়
অনন্য সৃজন
 

নাবিল হাসান

সুপার ব্লগার
#7
[কাটে না সময় যখন আর কিছুতে। বন্ধুর টেলিফোনে মন বসে না। জানলার গ্রিলটাতে ঠেকাই মাথা, মনে হয় বাবার মত কেউ বলে না।
আয় খুকু আয়.....॥]
সত্যিই..... বাবা তো বাবাই
 

বর্ণমালা এন্ড্রয়েড এপ

নতুন যুক্ত হয়েছেন

Top