• সুখবর........ সুখবর........ সুখবর........ বর্ণমালাকে খুব শিঘ্রই পাওয়া যাবে বাংলা বর্ণমালার ডোমেইন "ডট বাংলায়" অর্থাৎ আমাদের ওয়েব এড্রেস হবে 'বর্ণমালাব্লগ.বাংলা' পাশাপাশি বর্তমান Bornomalablog.com এ ঠিকানায়ও পাওয়া যাবে। বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণতা পাবে আমাদের বর্ণমালা।

বিজ্ঞানের পথযাত্রায় সোনার বাংলা

Arafat Tonmoy(বুনোহাঁস)

Moderator
বর্ণমালা স্টাফ
#1
....................................
download-3-jpeg.84
.........................................
আরাফাত তন্ময় (বুনোহাঁস)

বাংলাদেশ, বিশাল পৃথিবীর মাঝে ছোট্ট একটি দেশ। যার রয়েছে নিজস্ব সংষ্কৃতি। স্বাধীনতা উত্তর কেটে গেছে প্রায় অর্ধধশত বছর। পিছিয়ে নেই কোথাও। হাঁটি হাঁটি পা পা করে সকল জায়গায় জানান দিচ্ছে নিজেদের অবস্থান। দক্ষিন এশিয়ার ছোট এই দেশটিকে এখন সবাই চিনে নেয় নিজেদের বৈশিষ্ট্যে। অপার সম্ভাবনাময় একটি দেশ, যেখানে বসবাসকারীদের অন্তরে লড়াই করে বেঁচে থাকার বীজ আর অদম্য প্রয়াস রেখে গিয়েছেন স্বাধীন বাংলার মহান স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
আজকে আমরা জানবো আমাদের মাতৃভূমির কিছু গর্ব, যা বিজ্ঞানের পথযাত্রায় চরমভাবে অবদান রেখেছে....

কৃত্রিম কিডনি আবিষ্কার:
রাজধানী ঢাকার ছেলে শুভ রায়। ১০নভেম্বর, ১৯৬৯সালে জন্ম। একজন অধ্যবসায়ী ; সাত বছর টানা পরিশ্রমের পর কৃত্রিম কিডনি আবিষ্কার করেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আমেরিকান জৈব প্রকৌশলী ড. শুভ রায়। ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০১৭ শুভ ও তার সহযোগী গবেষকগণের এই মহান আবিষ্কারের কথা জানানো হয়। যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক বিপ্লব ঘটাবে বলে আশা করা যায়। আকারে হাতের মুঠোর সমান এ কিডনি ২০১৯সালের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ বিশ্ব বাজারে বাণিজ্যিকভাবে পাওয়া যাবে। কিডনিজনিত রোগে ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের মানসম্মত বিকল্প হচ্ছে এই কৃত্রিম কিডনি। কফির কাপ আকারের যন্ত্রটি মানবদেহে স্থাপন করা যাবে, যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির রক্ত সঞ্চালক অঙ্গ ও ক্ষতিগ্রস্ত কিডনির কাছেই সংযুক্ত থাকবে। এই কৃত্রিম কিডনি হরমোন তৈরি, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, রক্ত পরিশোধনসহ অধিকাংশ জৈবিক কাজ সম্পন্ন করবে বলে আশা করছেন গবেষকবৃন্দ। কৃত্রিম কিডনি নিঃসন্দেহে দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই একটি জৈব যন্ত্র হিসেবে আবির্ভূত হবে।

দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ:
উন্নত দেশগুলো বেশ আগেই কৃত্রিম উপগ্রহের মালিক হলেও দক্ষিণ এশিয়ায় শুধু ভারত ও পাকিস্তান এর মালিক ছিল। এখন বাংলদেশও কৃত্রিম উপগ্রহের মালিক হলো। মানুষ মহাকাশে নানান কাজে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠায়। সেসব উপগ্রহ বিশেষ কোনো কাজে ব্যবহৃত হয়। সেগুলোকে 'পোলার অরবিটিং স্যাটেলাইট' বা 'কমার্শিয়াল স্যাটেলাইট' বলা হয়। এগুলো শিক্ষা ও গবেষণামূলক কাজে ব্যবহার করা হয়। ব্র্যাকের শিক্ষার্থীদের বানানো উপগ্রহটিও এ ধরনের। আকারে ছোট বলে একে
' ন্যানো স্যাটেলাইট' বলা হয়। এর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা ১০ সেন্টিমিটার করে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা এবং বর্তমানে জাপানের কিউশু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে গবেষণারত তিন বাংলাদেশী তরুণ শিক্ষার্থী - রায়হানা শামস্ ইসলাম অন্তরা, আবদুল্লা হিল কাফি ও মায়সুন ইবনে মনোয়ার দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ তৈরি করেছেন। স্যাটেলাইটের নকশা প্রণয়ন থেকে শুরু করে চূড়ান্ত কাঠামো তৈরির সব কাজই করেন এ শিক্ষার্থীরা। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নে এবং কিউটেক'র শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় তৈরি করা হয় 'ব্র্যক অন্বেষা' নামের এই উপগ্রহটি ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০১৭সালে জাপান এরোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির কাছে হস্তান্তর করা হয়। মার্চ ২০১৭ বাংলাদেশী কৃত্রিম উপগ্রহটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রের সাথে যুক্ত হয়। মে ২০১৭ থেকে তা মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়। মহাশূন্যের পরিবেশ পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি জলাভূমি, নগরায়ণ ও কৃষি পরিস্থিতির উচ্চমানের ছবি পাঠাতে সক্ষম উপগ্রহটি মহাকাশের ৩৫০-৪০০ কি.মি. এর মাঝে ঘুরবে। কক্ষপথে উৎক্ষেপনের পর এটি দিনে ১৬বার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করবে। বাংলাদেশের উপর দিয়ে ঘুরে যাবে ৪/৫ বার। এই সময়ে কৃত্রিম উপগ্রহটি থেকে ছবিও ডাউনলোড করা যাবে।

নকল ওষুধ ধরার কল:
প্যানাসিয়া, নকল ওষুধ চেনার কঠিন সমস্যার সহজ সমাধান ইতোমধ্যে বের করেছেন দেশের তরুণ দুই উদ্ভাবক ও সহোদর- সৌভিক আসওয়াদ ও সৌমিক আসওয়াদ। তাদের উদ্ভাবন প্রযুক্তি 'প্যানাসিয়া' এখন দেশের ওষুধ খাতে একপ্রকার বিস্ময় সৃষ্টিকারী। ওষুধ কিনতে গিয়ে যে কেউ চাইলে এই প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে মোবাইল ফোনে এসএমস করে যাচাই করে নিতে পারবেন- কোনটি আসল আর কোনটি নকল ওষুধ। এসএমস ছাড়াও একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নতুন প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আসল বা নকল ওষুধ সনাক্ত করা সম্ভব। এরই মধ্যে দেশের নামকরা ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান 'রেনাটা' ওই দুই ভাইয়ের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের দুটি ওষুধের ক্ষেত্রে নকল ঠেকাতে পারছে। ওষুধ দুটি হচ্ছে 'ম্যাক্সপ্রো' ও 'রোলাক'।

হেপাটাইটিস- বি চিকিৎসায় নাসভ্যাক:
জাপান প্রবাসি বাংলাদেশী বিজ্ঞানী শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবর সম্প্রতি হেপাটাইটিস-বি চিকিৎসায় নতুন ওষুধ 'নাসভ্যাক' উদ্ভাবন করেছেন। যা চিকিৎসা জগতে বাংলাদেশের আরও একটি বিশাল প্রাপ্তি। বাংলাদেশে এ কাজে প্রধান হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেমাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মামুন আল মাহতাব। কার্যকারিতা প্রমাণিত হওয়ার পর এ ওষুধ বর্তমানে কিউবাতে ব্যবহার শুরু হয়েছে। আইনি জটিলতায় বাংলাদেশে ওষুধটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তবে আশা করা যায় খুব শীঘ্রই সফলতার সাথে বাংলাদেশসহ বহিঃবিশ্বে এর ব্যবহার শুরু হবে এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা হিসেবে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে। বর্তমানে এ ওষুধ নিয়ে কয়েকটি দেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ওশুধ কোম্পানি আগ্রহ দেখিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভারত ইত্যাদি দেশে মাল্টি-সেন্টার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ফরাসি ওষুধ কোম্পানি ইউরোপের বাজারে জন্য 'নাসভ্যাক' এর নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
'নাসভ্যাক' ওষুধের স্বত্ব এখন ল্যাটিন আমেরিকার দেশ কিউবার প্রতিষ্ঠান কিউবান সেন্টার ফর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজির। তারাই এখন এই ওষুধ তৈরি করছে। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য এক অনন্য প্রাপ্তি!

বিজ্ঞানের পথযাত্রায় বাংলাদেশ এগিয়ে চলুক দুর্বার গতিতে....

তথ্যসূত্র: "সায়েন্স জার্নাল"
এবং "বিজ্ঞানে বাংলাদেশী।"
written by: Arafat Tonmoy(বুনোহাঁস)।
 
Last edited by a moderator:

Khaled Al Mahmud

সুপার ব্লগার
#2
View attachment 84
আরাফাত তন্ময় (বুনোহাঁস)

বাংলাদেশ, বিশাল পৃথিবীর মাঝে ছোট্ট একটি দেশ। যার রয়েছে নিজস্ব সংষ্কৃতি। স্বাধীনতা উত্তর কেটে গেছে প্রায় অর্ধধশত বছর। পিছিয়ে নেই কোথাও। হাঁটি হাঁটি পা পা করে সকল জায়গায় জানান দিচ্ছে নিজেদের অবস্থান। দক্ষিন এশিয়ার ছোট এই দেশটিকে এখন সবাই চিনে নেয় নিজেদের বৈশিষ্ট্যে। অপার সম্ভাবনাময় একটি দেশ, যেখানে বসবাসকারীদের অন্তরে লড়াই করে বেঁচে থাকার বীজ আর অদম্য প্রয়াস রেখে গিয়েছেন স্বাধীন বাংলার মহান স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
আজকে আমরা জানবো আমাদের মাতৃভূমির কিছু গর্ব, যা বিজ্ঞানের পথযাত্রায় চরমভাবে অবদান রেখেছে....

কৃত্রিম কিডনি আবিষ্কার:
রাজধানী ঢাকার ছেলে শুভ রায়। ১০নভেম্বর, ১৯৬৯সালে জন্ম। একজন অধ্যবসায়ী ; সাত বছর টানা পরিশ্রমের পর কৃত্রিম কিডনি আবিষ্কার করেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আমেরিকান জৈব প্রকৌশলী ড. শুভ রায়। ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০১৭ শুভ ও তার সহযোগী গবেষকগণের এই মহান আবিষ্কারের কথা জানানো হয়। যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক বিপ্লব ঘটাবে বলে আশা করা যায়। আকারে হাতের মুঠোর সমান এ কিডনি ২০১৯সালের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ বিশ্ব বাজারে বাণিজ্যিকভাবে পাওয়া যাবে। কিডনিজনিত রোগে ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের মানসম্মত বিকল্প হচ্ছে এই কৃত্রিম কিডনি। কফির কাপ আকারের যন্ত্রটি মানবদেহে স্থাপন করা যাবে, যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির রক্ত সঞ্চালক অঙ্গ ও ক্ষতিগ্রস্ত কিডনির কাছেই সংযুক্ত থাকবে। এই কৃত্রিম কিডনি হরমোন তৈরি, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, রক্ত পরিশোধনসহ অধিকাংশ জৈবিক কাজ সম্পন্ন করবে বলে আশা করছেন গবেষকবৃন্দ। কৃত্রিম কিডনি নিঃসন্দেহে দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই একটি জৈব যন্ত্র হিসেবে আবির্ভূত হবে।

দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ:
উন্নত দেশগুলো বেশ আগেই কৃত্রিম উপগ্রহের মালিক হলেও দক্ষিণ এশিয়ায় শুধু ভারত ও পাকিস্তান এর মালিক ছিল। এখন বাংলদেশও কৃত্রিম উপগ্রহের মালিক হলো। মানুষ মহাকাশে নানান কাজে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠায়। সেসব উপগ্রহ বিশেষ কোনো কাজে ব্যবহৃত হয়। সেগুলোকে 'পোলার অরবিটিং স্যাটেলাইট' বা 'কমার্শিয়াল স্যাটেলাইট' বলা হয়। এগুলো শিক্ষা ও গবেষণামূলক কাজে ব্যবহার করা হয়। ব্র্যাকের শিক্ষার্থীদের বানানো উপগ্রহটিও এ ধরনের। আকারে ছোট বলে একে
' ন্যানো স্যাটেলাইট' বলা হয়। এর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা ১০ সেন্টিমিটার করে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা এবং বর্তমানে জাপানের কিউশু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে গবেষণারত তিন বাংলাদেশী তরুণ শিক্ষার্থী - রায়হানা শামস্ ইসলাম অন্তরা, আবদুল্লা হিল কাফি ও মায়সুন ইবনে মনোয়ার দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ তৈরি করেছেন। স্যাটেলাইটের নকশা প্রণয়ন থেকে শুরু করে চূড়ান্ত কাঠামো তৈরির সব কাজই করেন এ শিক্ষার্থীরা। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নে এবং কিউটেক'র শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় তৈরি করা হয় 'ব্র্যক অন্বেষা' নামের এই উপগ্রহটি ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০১৭সালে জাপান এরোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির কাছে হস্তান্তর করা হয়। মার্চ ২০১৭ বাংলাদেশী কৃত্রিম উপগ্রহটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রের সাথে যুক্ত হয়। মে ২০১৭ থেকে তা মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়। মহাশূন্যের পরিবেশ পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি জলাভূমি, নগরায়ণ ও কৃষি পরিস্থিতির উচ্চমানের ছবি পাঠাতে সক্ষম উপগ্রহটি মহাকাশের ৩৫০-৪০০ কি.মি. এর মাঝে ঘুরবে। কক্ষপথে উৎক্ষেপনের পর এটি দিনে ১৬বার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করবে। বাংলাদেশের উপর দিয়ে ঘুরে যাবে ৪/৫ বার। এই সময়ে কৃত্রিম উপগ্রহটি থেকে ছবিও ডাউনলোড করা যাবে।

নকল ওষুধ ধরার কল:
প্যানাসিয়া, নকল ওষুধ চেনার কঠিন সমস্যার সহজ সমাধান ইতোমধ্যে বের করেছেন দেশের তরুণ দুই উদ্ভাবক ও সহোদর- সৌভিক আসওয়াদ ও সৌমিক আসওয়াদ। তাদের উদ্ভাবন প্রযুক্তি 'প্যানাসিয়া' এখন দেশের ওষুধ খাতে একপ্রকার বিস্ময় সৃষ্টিকারী। ওষুধ কিনতে গিয়ে যে কেউ চাইলে এই প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে মোবাইল ফোনে এসএমস করে যাচাই করে নিতে পারবেন- কোনটি আসল আর কোনটি নকল ওষুধ। এসএমস ছাড়াও একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নতুন প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আসল বা নকল ওষুধ সনাক্ত করা সম্ভব। এরই মধ্যে দেশের নামকরা ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান 'রেনাটা' ওই দুই ভাইয়ের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের দুটি ওষুধের ক্ষেত্রে নকল ঠেকাতে পারছে। ওষুধ দুটি হচ্ছে 'ম্যাক্সপ্রো' ও 'রোলাক'।

হেপাটাইটিস- বি চিকিৎসায় নাসভ্যাক:
জাপান প্রবাসি বাংলাদেশী বিজ্ঞানী শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবর সম্প্রতি হেপাটাইটিস-বি চিকিৎসায় নতুন ওষুধ 'নাসভ্যাক' উদ্ভাবন করেছেন। যা চিকিৎসা জগতে বাংলাদেশের আরও একটি বিশাল প্রাপ্তি। বাংলাদেশে এ কাজে প্রধান হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেমাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মামুন আল মাহতাব। কার্যকারিতা প্রমাণিত হওয়ার পর এ ওষুধ বর্তমানে কিউবাতে ব্যবহার শুরু হয়েছে। আইনি জটিলতায় বাংলাদেশে ওষুধটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তবে আশা করা যায় খুব শীঘ্রই সফলতার সাথে বাংলাদেশসহ বহিঃবিশ্বে এর ব্যবহার শুরু হবে এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা হিসেবে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে। বর্তমানে এ ওষুধ নিয়ে কয়েকটি দেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ওশুধ কোম্পানি আগ্রহ দেখিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভারত ইত্যাদি দেশে মাল্টি-সেন্টার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ফরাসি ওষুধ কোম্পানি ইউরোপের বাজারে জন্য 'নাসভ্যাক' এর নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
'নাসভ্যাক' ওষুধের স্বত্ব এখন ল্যাটিন আমেরিকার দেশ কিউবার প্রতিষ্ঠান কিউবান সেন্টার ফর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজির। তারাই এখন এই ওষুধ তৈরি করছে। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য এক অনন্য প্রাপ্তি!

বিজ্ঞানের পথযাত্রায় বাংলাদেশ এগিয়ে চলুক দুর্বার গতিতে....

তথ্যসূত্র: "সায়েন্স জার্নাল"
এবং "বিজ্ঞানে বাংলাদেশী।"
written by: Arafat Tonmoy(বুনোহাঁস)।
হ্যা অনেক এগিয়ে গেছে আমার প্রাণের বাংলাদেশ
 
Last edited by a moderator:

বর্ণমালা এন্ড্রয়েড এপ

নতুন যুক্ত হয়েছেন

Top