• সুখবর........ সুখবর........ সুখবর........ বর্ণমালাকে খুব শিঘ্রই পাওয়া যাবে বাংলা বর্ণমালার ডোমেইন "ডট বাংলায়" অর্থাৎ আমাদের ওয়েব এড্রেস হবে 'বর্ণমালাব্লগ.বাংলা' পাশাপাশি বর্তমান Bornomalablog.com এ ঠিকানায়ও পাওয়া যাবে। বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণতা পাবে আমাদের বর্ণমালা।

রাশিদ হাসান-০১ || নাবিল হাসান

নাবিল হাসান

সুপার ব্লগার
#1
download-jpeg.238
-'বাচাও,বাচাও......'
নারী কন্ঠের আর্তনাদ ভেসে আসলো রাশিদ হাসান এর কানে।
সাথে সাথে তীব্র গতিতে একটা মাইক্রোবাস চলে গেলো তার সামনে দিয়ে।চিৎকারটা মাইক্রোবাস থেকেই আসছে।
সিধ্বান্ত নিয়ে ফেলল রাশিদ।একটা ট্যাক্সি ডেকে নিয়ে পিছু নিলো গাড়িটার।পাহাড়ি অসমতল রাস্তা।গাড়ি দ্রুত চালানো সম্ভব না, তারপরেও ড্রাইভার যথাসাধ্য দ্রুত চালাচ্ছে।
-'আচ্ছা এই রাস্তা কোথায় গেছে?',ড্রাইভারকে প্রশ্ন করল রাশিদ।
-এটা শহরে যাওয়ার সর্টকার্ট।
রাশিদ মনে মনে চিন্তা করল ওরা শহরে যাবেনা।এখানেই কোথাও থামবে।
সামনে একটা বাক।বাক পেরিয়ে মাইক্রোবাসটিকে আর দেখা যাচ্ছেনা।হঠাৎ চোখ পড়ল পাহাড়ের উপরে,ছোট একটা বাংলো মনে হচ্ছে।মেয়েটাকে নিয়ে এখানেই হয়ত উঠেছে ওরা।
ড্রাইভারকে ভাড়া চুকিয়ে দিয়ে বিদায় দিল রাশিদ।
সন্ধ্যা হয়ে আসছে,চারদিকে আধার নামছে।তারউপর অপরিচিত জায়গা।তাই যা করার সাবধানে করতে হবে।
বাংলোর পিছন দিক দিয়ে পাহাড় বেয়ে উঠতে হচ্ছে।কারন সামনে দিয়ে যাওয়ার ঝুকি নিতে চায়না রাশিদ।হঠাৎ পায়ের আওয়াজ পেয়ে সাথে সাথে পাথরের আড়ালে লুকিয়ে গেল।স্টেনগান হাতে একটা লোক চলে গেলো সামনে দিয়ে।একটুর জন্যে বেচে গেল রাশিদ।
সাবধানে উপরে উঠে এল।পিছন দিয়ে প্রবেশ করার কুনো রাস্তা নেই।সামনে দিয়েই যেতে হবে।বাংলোটা দুতলা,ওরা সম্ভবত উপরের তলায় আছে।কারণ কথাবার্তা শুনা যাচ্ছে উপর তলায়।সামন দিয়ে প্রবেশ করার ঝুকি নিয়ে নিল রাশিদ।যাওয়ার জন্যে পা বাড়াবে এমন সময় পায়ের আওয়াজ পেয়ে থেমে গেল রাশিদ।পাওয়ার আওয়াজ শুনে মনে হচ্ছে ওরা এদিকেই আসছে।ঝুপের আড়ালে চলে গেল রাশিদ।ওরা বেরিয়ে আসছে সং্খ্যায় চারজন।মনে হচ্ছে চলে যাবে।
-'ড্যেনি তুমি এখানে থাকো,আমরা খাবার নিয়ে আসছি।খাওয়া শেষ করে রাত ১০.০০ টায় বেরিয়ে পড়তে হবে।আর হ্যা, মেয়েটার দিকে খেয়াল রেখ যেন পালাতে না পারে।',গাড়িতে উঠতে উঠতে সরদার গোছের লোকটি কথাটা বলল।
-'অকে স্যার,আপনি কুনো চিন্তা করবেননা। আমি সামলে নিব।'
গাড়ি স্টার্ট নেয়ার শব্দ হল।ওরা তিনজন চলে গেল।শুধু ড্যেনি নামের লোকটা থেকে গেছে।রাশিদের জন্যে কাজটা আরো সহজ হয়ে গেল।ওরা চলে গেলে ড্যেনিও ভিতরে যাওয়ার জন্যে পা বাড়ালো।যেইনা ও পিছন ঘুরে পা বাড়িয়েছে সাথে সাথে রাশিদ ওর উপর ঝাপিয়ে পড়ল।ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে রাশিদ লোকটার ডান কানের নিচের নরম জায়গা লক্ষ করে একটা ঘুষি চালালো।সাথে সাথে লোকটা অজ্ঞান হয়ে গেল।
হাত পা বেধে অজ্ঞান দেহটাকে ঝুপের আড়ালে নিয়ে রেখে তাড়াতাড়ি উপরে যাওয়ার জন্যে পা বাড়ালো......... (চলবে)
-নাবিল হাসান।
 
Last edited by a moderator:

বর্ণমালা এন্ড্রয়েড এপ

নতুন যুক্ত হয়েছেন

Top