শীত থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার দশটি উপায় (রম্য গল্প)

K.M. Akhlak

নতুন ব্লগার
#1

পৌষ মাষ চলে এসেছে। শীতটাও জেঁকে ধরতে শুরু করেছে। এই শীত থেকে বাঁচার জন্য দশটি অভিনব কায়দা শিখে নিন।
১. শীতকালের অন্যতম আতঙ্কের নাম হলো ঠাণ্ডা পানি। ঠাণ্ডা পানির হাত থেকে বাঁচতে পানিতে আগুন ধরিয়ে দিন। দেখবেন কয়েক মিনিট পরেই পানি গরম হতে শুরু করেছে।
২. শীতে গোসল করতে অনেকেই ভয় পান। যারা ভয় পান তারা আর ভয় পাবেন না। সোয়েটার গায়ে জড়িয়েই নেমে পড়ুন পুকুরে। তাহলে শীত অনেক কম অনুভূত হবে।
৩. রাতে ঘুমানোর সময় অনেকের বেশি শীত লাগে। তারা খাটের নিচে ঘুমাতে পারেন। কোনো কম্বলেরও প্রয়োজন পড়বে না।
৪. অনেকে রাতে শীতের ভয় প্রসাব করতেও যেতে ভয় পান। তাদের জন্য উপদেশ থাকবে, টয়লেটের এক কোণে ঘুমিয়ে পড়ুন। উঠাউঠির কোনো চিন্তা নেই। একেবারে নিশ্চিন্তে কাজ সেরে নিবেন। এক্ষেত্রে টয়লেট বানানোর আগে ভেতরে জায়গাটা একটু বেশি রাখবেন।
৫. যারা সকালে জগিং করতে বের হয়ে থাকেন তারা তো শীতে কাঁপাকাঁপি শুরু করেন। সকালে বাইরে না বেরিয়ে বিছানায় চোখ বন্ধ করে শুয়ে কল্পনায় ব্যায়াম করতে পারেন। শীতের হাত থেকে বাঁচতে পারবেন। প্রাথমিক ভাবে এটার নাম দিতে পারেন মগিং।
৬. অফিসে যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না। প্রতিদিন তো সময়মতো অফিসে হাজির হন। এখন থেকে একটু দেরিতে যাবেন। শীতে বিছানা ছেড়ে উঠবেন দেরি করে। অফিসে গিয়ে বসকে তৃতীয় নম্বর হাত অর্থাৎ অজুহাত দেখিয়ে দিবেন।
৭. শীতের সময়ে বেশি করে এলাকার নেতাদের সেবা করবেন। কপাল ভালো থাকলে আপনার ভাগ্যেও জুটে যেতে পারে শীতের প্রধান আকর্ষণ কম্বল।
৮. পরিবারের চোখ ফাঁকি দেওয়ার সময় হলো শীতকাল। বন্ধুদের সাথে লুকিয়ে কোথায় ঘুরতে গেলে কোলবালিশটাকে কম্বল মুড়িয়ে রেখে যাবেন। পরিবারের সবাই ভাববে আপনি এখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। কেউ ডিস্টার্ব করতে এগিয়ে আসবে না।
৯. শীত দূর করার জন্য মাঝে মাঝে রাতে চুলার পাশে ঘুমাতে পারেন। তবে ভুলেও চুলা জ্বালিয়ে রাখবেন না। এতে কম্বলে আগুন লাগার সম্ভাবনা আছে। মনে মনে ভাববেন, আপনি চুলার পাশে শুয়ে আছেন। তাহলেই শীত পালিয়ে যাবে। মনের মধ্যে যখন চুলার চিন্তা ঢুকে যায়, শীত তখন জানালা দিয়ে পালিয়ে যায়।
১০. শীত থেকে বাঁচতে মাঝে মাঝে ছ্যাকা খেতে পারেন। কম্বলটাকেও ছ্যাকা দিয়ে নিতে পারেন। হোক সেটা আগুনের ছ্যাকা অথবা প্রেমের। ছ্যাকা খেলেই কয়েকদিন শীত আপনার কাছে আসতে ভয় পাবে।
 
Last edited by a moderator:

নাবিল হাসান

সুপার ব্লগার
#3
চরম মজা পাইলাম.....keep it up...নিয়মিত ব্লগ লেখবেন।
 

Khaled Al Mahmud

সুপার ব্লগার
#4
রম্য: "শীত থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার দশটি উপায়"
লেখা: আখলাকুর রহমান
.
পৌষ মাষ চলে এসেছে। শীতটাও জেঁকে ধরতে শুরু করেছে। এই শীত থেকে বাঁচার জন্য দশটি অভিনব কায়দা শিখে নিন।
১. শীতকালের অন্যতম আতঙ্কের নাম হলো ঠাণ্ডা পানি। ঠাণ্ডা পানির হাত থেকে বাঁচতে পানিতে আগুন ধরিয়ে দিন। দেখবেন কয়েক মিনিট পরেই পানি গরম হতে শুরু করেছে।
২. শীতে গোসল করতে অনেকেই ভয় পান। যারা ভয় পান তারা আর ভয় পাবেন না। সোয়েটার গায়ে জড়িয়েই নেমে পড়ুন পুকুরে। তাহলে শীত অনেক কম অনুভূত হবে।
৩. রাতে ঘুমানোর সময় অনেকের বেশি শীত লাগে। তারা খাটের নিচে ঘুমাতে পারেন। কোনো কম্বলেরও প্রয়োজন পড়বে না।
৪. অনেকে রাতে শীতের ভয় প্রসাব করতেও যেতে ভয় পান। তাদের জন্য উপদেশ থাকবে, টয়লেটের এক কোণে ঘুমিয়ে পড়ুন। উঠাউঠির কোনো চিন্তা নেই। একেবারে নিশ্চিন্তে কাজ সেরে নিবেন। এক্ষেত্রে টয়লেট বানানোর আগে ভেতরে জায়গাটা একটু বেশি রাখবেন।
৫. যারা সকালে জগিং করতে বের হয়ে থাকেন তারা তো শীতে কাঁপাকাঁপি শুরু করেন। সকালে বাইরে না বেরিয়ে বিছানায় চোখ বন্ধ করে শুয়ে কল্পনায় ব্যায়াম করতে পারেন। শীতের হাত থেকে বাঁচতে পারবেন। প্রাথমিক ভাবে এটার নাম দিতে পারেন মগিং।
৬. অফিসে যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না। প্রতিদিন তো সময়মতো অফিসে হাজির হন। এখন থেকে একটু দেরিতে যাবেন। শীতে বিছানা ছেড়ে উঠবেন দেরি করে। অফিসে গিয়ে বসকে তৃতীয় নম্বর হাত অর্থাৎ অজুহাত দেখিয়ে দিবেন।
৭. শীতের সময়ে বেশি করে এলাকার নেতাদের সেবা করবেন। কপাল ভালো থাকলে আপনার ভাগ্যেও জুটে যেতে পারে শীতের প্রধান আকর্ষণ কম্বল।
৮. পরিবারের চোখ ফাঁকি দেওয়ার সময় হলো শীতকাল। বন্ধুদের সাথে লুকিয়ে কোথায় ঘুরতে গেলে কোলবালিশটাকে কম্বল মুড়িয়ে রেখে যাবেন। পরিবারের সবাই ভাববে আপনি এখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। কেউ ডিস্টার্ব করতে এগিয়ে আসবে না।
৯. শীত দূর করার জন্য মাঝে মাঝে রাতে চুলার পাশে ঘুমাতে পারেন। তবে ভুলেও চুলা জ্বালিয়ে রাখবেন না। এতে কম্বলে আগুন লাগার সম্ভাবনা আছে। মনে মনে ভাববেন, আপনি চুলার পাশে শুয়ে আছেন। তাহলেই শীত পালিয়ে যাবে। মনের মধ্যে যখন চুলার চিন্তা ঢুকে যায়, শীত তখন জানালা দিয়ে পালিয়ে যায়।
১০. শীত থেকে বাঁচতে মাঝে মাঝে ছ্যাকা খেতে পারেন। কম্বলটাকেও ছ্যাকা দিয়ে নিতে পারেন। হোক সেটা আগুনের ছ্যাকা অথবা প্রেমের। ছ্যাকা খেলেই কয়েকদিন শীত আপনার কাছে আসতে ভয় পাবে।
হা হা রাইট পয়েন্ট
ওমনু তুমি কি কইলা৷
 

Naiem Rana

সুপার ব্লগার
#7
খুব মজা পাইলাম!
 

বর্ণমালা এন্ড্রয়েড এপ

নতুন যুক্ত হয়েছেন

Top