সৃষ্টিকর্তা পুরুষ নাকি মহিলা???

নাবিল হাসান

সুপার ব্লগার
#1

কলেজ থেকে বেরিয়ে রাশিদ আর রাতুল গল্প করতে করতে হাটতেছে।এমন সময় তাদেরি ক্লাসের এক ছাত্র এসে তাদের সামনে দারিয়ে বলল,রাশিদ ভাই আপনার কাছে আমার কিছু প্রশ্ন আছে।ছাত্রটি কিছুটা নাস্তিকতায় বিশ্বাসী তবে পুরুপুরি না।তার নাম তপু মন্ডল।
-রাশিদ বলল,চলেন ওই জায়গায় গিয়ে বসে কথা বলি।
-চলেন।
-তো বলেন আপনার প্রশ্ন কী?
-আপনি আজ ক্লাসে বললেন যে সৃষ্টীকরতা আছেন,মানলাম যে আছেন।এখন আমার প্রশ্ন হলো:"সৃষ্টীকরতা পুরুষ নাকি মহিলা?বুজবো কিভাবে?"
-এই প্রশ্ন!এই বিষয়ে জানতে হলে,
প্রথমে দুইটি বিষয় বুঝতে হবে।

প্রথম বিষয় হলঃ

মহান আল্লাহ পাক এর সত্বা সম্পর্কে নিজ মনগড়া কিছু বিশ্বাস করা একটি ভয়ংকর কাজ। কারণ যদি আপনি ভুল করেন, তাহলে স্রষ্টার উপর ভুল বৈশিষ্ট আরোপন করলেন, যাতে ভয়ংকর গোনাহ হতে পারে। অনেকের মতে, এতে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, কারণ, আমরা কেন অন্যান্য ধর্মের স্রষ্টায় বিশ্বাস করি না? কারণ অন্যান্য ধর্ম অনেক সময় শিরক করে, এবং মহান আল্লাহর উপর মনগড়া বৈশিষ্ট আরোপন করে।
এই সমস্যা থেকে আমরা রক্ষা পাই কারণ মহান আল্লাহ পাক আমাদের "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু" বলার পর "মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ" দান করেছেন। যখন বলবেন "কোন উপাস্য নাই আল্লাহ ছাড়া" তখন যদি প্রশ্ন আসে এই উপাস্য কোন উপাস্য? তখন আপনি রেফারেন্স টানলেন নবীর, যে "মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ" মানে মুহাম্মাদ সাঃ যে উপাস্যের কথা বলেন, সেই উপাস্য। তাছাড়া, যেমনঃ যদি বলেন "ইবরাহীম খলিলুল্লাহ" তাহলে ইব্রাহীম আঃ রেফারেন্স টানলেন। অর্থ্যাত, ইব্রাহীম আঃ যে ঈশ্বরের কথা বলেন, ঐ ঈশ্বর।
এই পয়েন্ট থেকে এই অনুসিদ্ধান্তে আসা যায় যে, আমরা ঐ স্রষ্টাকে বিশ্বাস করি, যার কথা নুহ আঃ, ইব্রাহীম আঃ, মুসা আঃ, ঈসা আঃ এবং মুহাম্মাদ সাঃ বলে গেছেন। এবং আল্লাহ সম্পর্কে নিজ থেকে কোন ধারনায় উপনিত হওয়া যাবে না। আলচ্য আলোচনা থেকে এই সিদ্ধান্তে আসা যায় যে, কেউ যদি এখলাসের সাহিত "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ" বলে, তাহলে এটাই তাঁর জন্য যতেষ্ট। এখানে, আগ বেড়ে অথবা পিছিয়ে কিছু বলার অবকাশ থাকে না।

দ্বিতীয় বিষয় হলঃ

মানুষের বিশ্বাসকে দুটো ভাগে ভাগ করা যায়। একটা হচ্ছে নিশ্চিত বিশ্বাস। আরেকটি হচ্ছে আপাত বিশ্বাস, যা নিশ্চিত বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে দাঁড় করানো থাকে।
যদি মানুষের আপাত বিশ্বাস নিশ্চিত বিশ্বাসের সাহিত সাংঘার্ষিক হয়, তাহলে নিশ্চিত বিশ্বাস দিয়ে আপাত বিশ্বাসকে পরিবর্তন করে। অর্থ্যাত, কেউ যদি এমন কোন কথা বা কাজ করে, যা তাঁর আপাত বিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল এবং নিশ্চিত বিশ্বাসের সাহিত সাংঘার্ষি কিন্তু সে বুঝতেছে না। কিন্তু আপনি ঐ পরিবেশের বাহিরে এবং আপনি বুঝতেছেন, আপানার এই বুঝার কারণে তাঁর নিশ্চিত বিশ্বাসের মিথ্যা হয়ে যায় না। আপনি যদি তাকে বুঝাতে সক্ষম হন, অথবা সে নিজ থেকেই যদি বিষয়টি ধরতে পারে, তাহলে সে তাঁর নিশ্চিত বিশ্বাস দিয়ে, আপাত বিশ্বাস এবং এর দ্বারা উতপন্ন কথা ও কাজকে পরিবর্তন করে নিবে।
এখন আসেন আপনার প্রশ্নে,আপনি প্রশ্ন করেছেন,আল্লাহ কি পুরুষ নাকি মহিলা?অর্থাৎ,আল্লাহর আকারটা কিরকম?
চলেন সে বিষয়ে বলি,
আল্লাহ হলেন একক সত্তা।তিনি পুরুষও নন মহিলা ও নন।
এ বিষয়ে আমরা আল্লাহর কাছ থেকেই জেনে নেই তাহলে তো আর কুনো সন্দেহ থাকবেনা,তাই না?
চলেন দেখি আল্লাহ কোরআনে এ বিষয়ে কি বলেছেন,

-এ ব্যাপারে প্রথমেই আসবে সূরা ইখলাস, এই সূরা নাজিল হয়েছিল রাসুল সাঃ কে আল্লাহ পাকের বংশ পড়িচয় জিজ্ঞেস করার ফলেই। তাই আলচ্য প্রবন্ধের সব থেকে গুরুত্বপুর্ন দলিল হল, সূরা ইখলাস। 
"বলুন, তিনি আল্লাহ, এক, আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি, এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।" (আল কুরান, সূরা ১১২)
হ্যাঁ, এই সুরা দিয়েই আল্লাহ পাক নিজে নিজেকে ব্যাক্ত করেছেন। সেহেতু, কেউ যদি প্রশ্ন করে আল্লাহ পাকের কি আকার আছে নাকি নিরাকার? সাধারণ মানুষের জন্য এর উত্তর হবে "তার সমতুল্য কেউ নেই"। এখানেই বিতর্ক খতম। কেউ কেউ এই সুরাকে আল কোরানের এক তৃতীয়াংশের সমান বলে বর্ননা করেন।
যাইহোক, একই ধরনের আরেকটি আয়াত হল, আয়াতুল কুরসী যাহা হলঃ 
"আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।" (আল কোরান, ২ঃ২৫৫)
এ ধরনের আরেকটি আয়াত হলঃ 
তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের স্রষ্টা। তিনি তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্যে যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং চতুস্পদ জন্তুদের মধ্য থেকে জোড়া সৃষ্টি করেছেন। এভাবে তিনি তোমাদের বংশ বিস্তার করেন। কোন কিছুই তাঁর অনুরূপ নয়। তিনি সব শুনেন, সব দেখেন । (আল কুরান, ৪২ঃ১১)
আশা করি আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন।
-ধন্যবাদ রাশিদ ভাইয়া।আপনি আল্লাহর কথা দিয়েই আল্লাহর পরিচয় দিয়ে দিলেন।আমার খুব ভালো লাগলো আপনার সাথে কথা বলে।মনের অনেক সন্দেহ দূর হল।
-আমারও খুব ভালো লাগছে আপনাকে সঠিক জিনিষ জানাতে পেরে।

-নাবিল হাসান।
 

Khaled Al Mahmud

সুপার ব্লগার
#2
View attachment 78
কলেজ থেকে বেরিয়ে রাশিদ আর রাতুল গল্প করতে করতে হাটতেছে।এমন সময় তাদেরি ক্লাসের এক ছাত্র এসে তাদের সামনে দারিয়ে বলল,রাশিদ ভাই আপনার কাছে আমার কিছু প্রশ্ন আছে।ছাত্রটি কিছুটা নাস্তিকতায় বিশ্বাসী তবে পুরুপুরি না।তার নাম তপু মন্ডল।
-রাশিদ বলল,চলেন ওই জায়গায় গিয়ে বসে কথা বলি।
-চলেন।
-তো বলেন আপনার প্রশ্ন কী?
-আপনি আজ ক্লাসে বললেন যে সৃষ্টীকরতা আছেন,মানলাম যে আছেন।এখন আমার প্রশ্ন হলো:"সৃষ্টীকরতা পুরুষ নাকি মহিলা?বুজবো কিভাবে?"
-এই প্রশ্ন!এই বিষয়ে জানতে হলে,
প্রথমে দুইটি বিষয় বুঝতে হবে।

প্রথম বিষয় হলঃ

মহান আল্লাহ পাক এর সত্বা সম্পর্কে নিজ মনগড়া কিছু বিশ্বাস করা একটি ভয়ংকর কাজ। কারণ যদি আপনি ভুল করেন, তাহলে স্রষ্টার উপর ভুল বৈশিষ্ট আরোপন করলেন, যাতে ভয়ংকর গোনাহ হতে পারে। অনেকের মতে, এতে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, কারণ, আমরা কেন অন্যান্য ধর্মের স্রষ্টায় বিশ্বাস করি না? কারণ অন্যান্য ধর্ম অনেক সময় শিরক করে, এবং মহান আল্লাহর উপর মনগড়া বৈশিষ্ট আরোপন করে।
এই সমস্যা থেকে আমরা রক্ষা পাই কারণ মহান আল্লাহ পাক আমাদের "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু" বলার পর "মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ" দান করেছেন। যখন বলবেন "কোন উপাস্য নাই আল্লাহ ছাড়া" তখন যদি প্রশ্ন আসে এই উপাস্য কোন উপাস্য? তখন আপনি রেফারেন্স টানলেন নবীর, যে "মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ" মানে মুহাম্মাদ সাঃ যে উপাস্যের কথা বলেন, সেই উপাস্য। তাছাড়া, যেমনঃ যদি বলেন "ইবরাহীম খলিলুল্লাহ" তাহলে ইব্রাহীম আঃ রেফারেন্স টানলেন। অর্থ্যাত, ইব্রাহীম আঃ যে ঈশ্বরের কথা বলেন, ঐ ঈশ্বর।
এই পয়েন্ট থেকে এই অনুসিদ্ধান্তে আসা যায় যে, আমরা ঐ স্রষ্টাকে বিশ্বাস করি, যার কথা নুহ আঃ, ইব্রাহীম আঃ, মুসা আঃ, ঈসা আঃ এবং মুহাম্মাদ সাঃ বলে গেছেন। এবং আল্লাহ সম্পর্কে নিজ থেকে কোন ধারনায় উপনিত হওয়া যাবে না। আলচ্য আলোচনা থেকে এই সিদ্ধান্তে আসা যায় যে, কেউ যদি এখলাসের সাহিত "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ" বলে, তাহলে এটাই তাঁর জন্য যতেষ্ট। এখানে, আগ বেড়ে অথবা পিছিয়ে কিছু বলার অবকাশ থাকে না।

দ্বিতীয় বিষয় হলঃ

মানুষের বিশ্বাসকে দুটো ভাগে ভাগ করা যায়। একটা হচ্ছে নিশ্চিত বিশ্বাস। আরেকটি হচ্ছে আপাত বিশ্বাস, যা নিশ্চিত বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে দাঁড় করানো থাকে।
যদি মানুষের আপাত বিশ্বাস নিশ্চিত বিশ্বাসের সাহিত সাংঘার্ষিক হয়, তাহলে নিশ্চিত বিশ্বাস দিয়ে আপাত বিশ্বাসকে পরিবর্তন করে। অর্থ্যাত, কেউ যদি এমন কোন কথা বা কাজ করে, যা তাঁর আপাত বিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল এবং নিশ্চিত বিশ্বাসের সাহিত সাংঘার্ষি কিন্তু সে বুঝতেছে না। কিন্তু আপনি ঐ পরিবেশের বাহিরে এবং আপনি বুঝতেছেন, আপানার এই বুঝার কারণে তাঁর নিশ্চিত বিশ্বাসের মিথ্যা হয়ে যায় না। আপনি যদি তাকে বুঝাতে সক্ষম হন, অথবা সে নিজ থেকেই যদি বিষয়টি ধরতে পারে, তাহলে সে তাঁর নিশ্চিত বিশ্বাস দিয়ে, আপাত বিশ্বাস এবং এর দ্বারা উতপন্ন কথা ও কাজকে পরিবর্তন করে নিবে।
এখন আসেন আপনার প্রশ্নে,আপনি প্রশ্ন করেছেন,আল্লাহ কি পুরুষ নাকি মহিলা?অর্থাৎ,আল্লাহর আকারটা কিরকম?
চলেন সে বিষয়ে বলি,
আল্লাহ হলেন একক সত্তা।তিনি পুরুষও নন মহিলা ও নন।
এ বিষয়ে আমরা আল্লাহর কাছ থেকেই জেনে নেই তাহলে তো আর কুনো সন্দেহ থাকবেনা,তাই না?
চলেন দেখি আল্লাহ কোরআনে এ বিষয়ে কি বলেছেন,

-এ ব্যাপারে প্রথমেই আসবে সূরা ইখলাস, এই সূরা নাজিল হয়েছিল রাসুল সাঃ কে আল্লাহ পাকের বংশ পড়িচয় জিজ্ঞেস করার ফলেই। তাই আলচ্য প্রবন্ধের সব থেকে গুরুত্বপুর্ন দলিল হল, সূরা ইখলাস। 
"বলুন, তিনি আল্লাহ, এক, আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি, এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।" (আল কুরান, সূরা ১১২)
হ্যাঁ, এই সুরা দিয়েই আল্লাহ পাক নিজে নিজেকে ব্যাক্ত করেছেন। সেহেতু, কেউ যদি প্রশ্ন করে আল্লাহ পাকের কি আকার আছে নাকি নিরাকার? সাধারণ মানুষের জন্য এর উত্তর হবে "তার সমতুল্য কেউ নেই"। এখানেই বিতর্ক খতম। কেউ কেউ এই সুরাকে আল কোরানের এক তৃতীয়াংশের সমান বলে বর্ননা করেন।
যাইহোক, একই ধরনের আরেকটি আয়াত হল, আয়াতুল কুরসী যাহা হলঃ 
"আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।" (আল কোরান, ২ঃ২৫৫)
এ ধরনের আরেকটি আয়াত হলঃ 
তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের স্রষ্টা। তিনি তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্যে যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং চতুস্পদ জন্তুদের মধ্য থেকে জোড়া সৃষ্টি করেছেন। এভাবে তিনি তোমাদের বংশ বিস্তার করেন। কোন কিছুই তাঁর অনুরূপ নয়। তিনি সব শুনেন, সব দেখেন । (আল কুরান, ৪২ঃ১১)
আশা করি আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন।
-ধন্যবাদ রাশিদ ভাইয়া।আপনি আল্লাহর কথা দিয়েই আল্লাহর পরিচয় দিয়ে দিলেন।আমার খুব ভালো লাগলো আপনার সাথে কথা বলে।মনের অনেক সন্দেহ দূর হল।
-আমারও খুব ভালো লাগছে আপনাকে সঠিক জিনিষ জানাতে পেরে।

-নাবিল হাসান।
আমাদেরও ভালো লাগলো
 

বর্ণমালা এন্ড্রয়েড এপ

নতুন যুক্ত হয়েছেন

Top