• সুখবর........ সুখবর........ সুখবর........ বর্ণমালাকে খুব শিঘ্রই পাওয়া যাবে বাংলা বর্ণমালার ডোমেইন "ডট বাংলায়" অর্থাৎ আমাদের ওয়েব এড্রেস হবে 'বর্ণমালাব্লগ.বাংলা' পাশাপাশি বর্তমান Bornomalablog.com এ ঠিকানায়ও পাওয়া যাবে। বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণতা পাবে আমাদের বর্ণমালা।

সেই তুমি ।। আবির

আপনি কি আরো এইরকম গল্প পেতে চান?

  • না

    Votes: 0 0।0%

  • Total voters
    2

Naiem Rana

সুপার ব্লগার
#1
48053413_151169929180362_4746743910749962240_n-1-jpg.32

আজ অনেক দিন পরে মোবাইলের নেট টা অন করলাম মানে প্রায় ২ টো বছর পরে।হঠাৎ করেই মোবাইল টা কাপতে শুরু করলো।হাজারো মেসেজ, হাজারো নটিফিকেশন, হাজারো ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট এসে ভর্তি হয়ে গেল ফোন টা।
প্রথমেই ফেসবুকে ঢুকলাম।
ঢুকেই দেখি হাজারো মেসেজ এসে ভর্তি হয়ে আছে।মেসেজ গুলো ঠিক এই রকমের ছিল।
-ভাইয়া আপনার কি হয়েছে?
-আপনি আর ফেসবুকে আসেন না কেনো?
-ভাই গল্প আর লেখেন না কেন?
-ভাই তুই কোথায়?
-কীরে আবির তোর কি হয়েছে?
সবার শেষে সেই চেনা মানুষটার মেজেজ ভেসে এল মোবাইলের স্ক্রিনে।
মানে যার জন্য এই ফেসবুকের জীবন টা ছারতে হয়ে ছিল।
মানে সেই জান্নাতের।ওর মেসেজ টা ঠিক এমন ছিল
-কীরে দুরে চলে যাচ্ছিস তো ! যা আর কোনো দিনও তোকে কাছে আসতে বলবো না।শুধু এই টুকু জেনে রাখ।আমি ভাল নেই. . . ! ! !
আমি কোনো রিপ্লই করলাম না।দেখলাম অনলাইনেই আছে ।
অতপর নটিফিকেশনে গেলাম।
তারপরে কমেন্ট গুলো দেখতে শুরু করলাম।
দেখছি লাস্ট পোস্টে কমেন্ট ২k. লাইকও এসেছে ৫k
কিছু কমেন্টের রিপ্লায়ও করলাম।
হয়তো তারা আজ আমাকে ভুলেই গেছে।আমি হয়তো এখন আর ৫টা সাধারন মানুষের মতই হয়ে গেছি!
অতপর রিকুয়েস্ট গুলো দেখা শুরু করলাম।খুব বেশি না হলেও প্রাই ৪০০+ ছিল।
এরপরে কিছু রিকুয়েস্ট এক্সেপ্টও করলাম।
এরপরেই সেই চেনা জান্নাতের আইডিটা থেকে একটা মেসেজ আসলো।
-কিরে. . . ! ! ! রিপ্লাই করছিস না কেনো? ভালোই তো অনলাইনে আছিস দেখতে পারছি!
আমি এটা দেখে কি রিপ্লাই দেবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না।
-কিরে. . কেমন আছিস? তোর বড় কেমন আছে? আর তোর সন্তানেরা কেমন আছে? (আমি)
-আরে আমার বিয়ে হয়েছিল ঠিকি কিন্তু আমার বড় নেই।
-কেন? কি হয়েছিল?
-আমার বিয়েতে বিয়ের আগে ২ লাখ আর পরে ৩ লাখ পন দেওয়ার কথা ছিল।
প্রথমে তো ২ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল।তারপরে বিয়ে হলো আমাদের আর আমার বড় আমাকে নিয়ে আমেরিকা তে চলে আসে কিন্তু তার পরেই হয় ঝামেলা।হঠাৎ করেই বাবার শরির খারাপ হয়ে পরে ।আর সেই ৩ লাখ টাকা থেকে আমার বাবার পেছনে ২ লাখ টাকা খরচা হয়ে জায়।
তারপরে যখন বাবা সুস্থ হওয়ার পরে বলে যে ২ লাখ টাকা কিছুদিন নাবহলে আমরা দিতে পারবো না।তখন ওরা আমাকে আমার বাবার বারিতে রেখে যাই আর তারা আজ পর্যন্ত আমাকে নিতে আসেনি।
-কি সব উল্ট পাল্টা বলছিস তুই. . ! !
-সত্যি বলছি ।
-কিন্তু. . !
-কি?
-কিছুনা।
-আচ্ছা বল তুই বিয়ে করেছিস তো. . ! তোর বৌ কেমন রে. . ! খুব কিউট তাই না. . ! আর তোর বাচ্চা . . ! ! !
-নারে কেও একজন বলেছিল যে আমাকে অনেক ভালবাসে. ।আমার সাথে কথা না বলে নাকি তার রাতে ঘুম আসেনা।আমাকে না দেখতে পেলে নাকি সে ভাল থাকতে পারে না।আমাকে না পেলে নাকি সে বাচতে পারবে না. . ! কিন্তু সেই একদিন তার এই ভালবাসা টাকে মিথ্যে প্রমান করে আমাকে ছেরে চলে গেছিলো।
-এখনো আমার ওপরে রাগ করে আছিস. . !
-না । রাগ করার জন্যও একটা সম্পর্ক থাকতে হয়।
-তাহলে. . . ! !
-কিছুনা।
-তুই কি সত্যিই বিয়ে করিস নি?
-এক কথা বলতে বার বার ভাল লাগে না।
-ওকে।
-আর তুই এখন কি দেশেই আছিস. . . ! ! !
-হ্যা। বাবার কাছেই আছি।
-ভাল।
-আর বল আজ কাল কি করছিস?
-এই তো একটা ছোট খাট জব করছি।
-ভাল।তোর বাড়ির সবাই কেমন আছে?
-যাদের থাকার কথা ছিল তারা আজ আর কেউ কেউ বেচে নেই।আর জাকে নিজের ভেবে আকরে বেচে থাকতে চেয়ে ছিলাম সে আজ আর আমার নেই।
-এখনো অভিমান করে আছিস?
-আভিমান তো নিজের আপন মানুষের উপরেই করা যায়।
-তাহলে একটা বিয়ে করছিস না কেন?
-কেউ একজন বিয়ে করবে বলে অন্য কারো হাত ধরেছিল।আর আমায় ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল।
-আর কাউকে ভালবাসিস নি?
-ভালবাসতে গেলেতো একটা হৃদয়ের প্রয়জন হয়।
-তো? তোর হৃদয় টাতো অনেক বড়।যেমন করে আমাকে সেই হৃদয়ে জাইগা দিয়ে ছিলিস সেই হৃদয়ের কোনে অন্য কাউকেও একটুখানি জাইগা দিতে পারতিস. . . ! ! !
-সেই হৃদয় টাই একদিন কেউ ভেঙে দিয়ে ছিল।আর সেই হৃদয়ে সেই নাম টাই এখনো পর্যন্ত লেখা আছে।যেখনে আর অন্য কারোর নাম লেখাটা অসম্ভব ছিল ।(আমি)
-তাহলে আমি যদি এখন ফিরে আসতে চাই তাহলে কি আমাকে মেনে নিতে পারবি. . . ! আমার এই অসতি শরির টাকে কি মেনে নিতে পারবি. . . ! ! !
-আসার চেষ্টা করেই দেখ।আমি তো কারো শরীর টাকে ভালবেসে ছিলাম না ! আমিতো কারো হৃদয় কে ভালবেসে ছিলাম। যেটা কোনো দিনও অসতী হতে পারে না।
-আমাকে কী এখনো ভালবাসিস।
-জানিনা। তবে এখনে রাতের বেলা ঘুমনোর সময় কারো কথা মনে পরলেই বুকের বাম পাশ টাতে চিন চিন করে ওঠে। কোনো একটা কারনে একটা মায়াতে জরিয়ে আছি বলে মনে হয়।যেটা থেকে বেড়িয়ে যাওয়া অ সম্ভব বেপার।
-তার মানে?
-কিছুনা।
-আমাকে মিস করিস?
-জানি না।তবে মাঝে মাঝে কারো কথা মনে মনে পরলে দুটি চোখ দিয়ে অবিরাম জল ধারা ঝরে পরে।
-খুব কষ্ট দিয়েছি আমি তাই না? ?
- জানিনা।তবে কেউ একজন ছেড়ে যাওয়ার পরে খুব করে কেদে ছিলাম।সারা দিন সারা রাত। কাউকে হারানো খুব বেশি ভয় পেয়ে ছিলাম সেই সময় টাতে।
-তার মানে?
-কিছুনা।
-আমাকে পেতে চাস?
-জানিনা।তবে কাউকে কাছে পাওয়ার জন্য মন টা সব সময় বেকুল হয়ে থাকে।কাউকে দেখার জন্য চোখ দুটি কেমন জানি অাসফাস আসফাস করে।
-আমাকে কি মেনে নিতে একটুও খারাপ লাগবে না?
-জানি না তবে না মানার কোনো জাইগা ওতো নেই।
-আমাকে মেনে নিলে সমাজ কি তোকে মেনে নেবে? ?
-সমাজের পরওয়া করি না। একদিন বাবা, মা মারে যাওয়ার পরে সবাই আমাকে ছুরে ফেলে দিয়েছিল।
-আমরা কি একটা নতুন সংসার তৈরি করতে পারি? ?
-জানিনা তবে সংসার করার একটা শখ আছে।আর শুনেছি কোনো একটা জিনিস কে যদি মন থেকে চাওয়া জাই, তাহলে নাকি পুরো দুনিয়া সেটা তোমাকে পায়িয়ে দেওয়ার জন্য অবিরাম চেষ্টা করে।
- তুই কোথায় আছিস? ?
-সেই পুরোনো বট তলাই।
-আমি কি এখনি আসবো?
- জানিনা তবে কেউ আসতে চাইলে আমি তো তাকে আটকে রাখতে পারি না।
এই মেসেজ টা দেখেই জান্নাতের চোখ দিয়ে অবিরাম ভাবে জল পরতে থাকলো।এটা কোনো শোখের কান্না না।এটা হলো আনন্দের কান্না।
আর অপর দিকে আবিরের চোখ দিয়েও অবিরাম ভাবে জন গরিয়ে পরতে লাগলো।
সো এখান থেকে আমরা একটাই জিনিস জানতে পারি।যে ভালবাসা কখনো শেষ হয়ে যাই না।ভালবাসা মানে ভালবাসা। এটাকে কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা যাই না।
হয়তো এটা হাজারো কষ্টের ভিরে লুকিয়ে থাকে কিন্তু কখনো শেষ হয়ে যায় না।হয়তো হাজারো অভিমানে পেছনে থেকে জাই।কিন্তু মাত্র কতো গুলো কথার কারনে সেটা বেড়িয়ে আসতে বাধ্য।

সমাপ্ত​

প্রথম প্রকাশিত : ফেসবুক
দিত্বীয় প্রকাশিত : বি ডি নাইম ডটকম
ধন্যবাদ সবাইকে!!
বিঃ দ্রঃ গল্পটি আমার নিজের লেখা না আমার পরিচিত একজন লেখকের লেখা । আর তার গল্প কপি করার অনুমতি নিয়েই কপি করেছি! কোন ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমার সুন্দর দৃষ্টতে দেখবেন!
 
Last edited by a moderator:

Khaled Al Mahmud

সুপার ব্লগার
#6

আজ অনেক দিন পরে মোবাইলের নেট টা অন করলাম মানে প্রায় ২ টো বছর পরে।হঠাৎ করেই মোবাইল টা কাপতে শুরু করলো।হাজারো মেসেজ, হাজারো নটিফিকেশন, হাজারো ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট এসে ভর্তি হয়ে গেল ফোন টা।
প্রথমেই ফেসবুকে ঢুকলাম।
ঢুকেই দেখি হাজারো মেসেজ এসে ভর্তি হয়ে আছে।মেসেজ গুলো ঠিক এই রকমের ছিল।
-ভাইয়া আপনার কি হয়েছে?
-আপনি আর ফেসবুকে আসেন না কেনো?
-ভাই গল্প আর লেখেন না কেন?
-ভাই তুই কোথায়?
-কীরে আবির তোর কি হয়েছে?
সবার শেষে সেই চেনা মানুষটার মেজেজ ভেসে এল মোবাইলের স্ক্রিনে।
মানে যার জন্য এই ফেসবুকের জীবন টা ছারতে হয়ে ছিল।
মানে সেই জান্নাতের।ওর মেসেজ টা ঠিক এমন ছিল
-কীরে দুরে চলে যাচ্ছিস তো ! যা আর কোনো দিনও তোকে কাছে আসতে বলবো না।শুধু এই টুকু জেনে রাখ।আমি ভাল নেই. . . ! ! !
আমি কোনো রিপ্লই করলাম না।দেখলাম অনলাইনেই আছে ।
অতপর নটিফিকেশনে গেলাম।
তারপরে কমেন্ট গুলো দেখতে শুরু করলাম।
দেখছি লাস্ট পোস্টে কমেন্ট ২k. লাইকও এসেছে ৫k
কিছু কমেন্টের রিপ্লায়ও করলাম।
হয়তো তারা আজ আমাকে ভুলেই গেছে।আমি হয়তো এখন আর ৫টা সাধারন মানুষের মতই হয়ে গেছি!
অতপর রিকুয়েস্ট গুলো দেখা শুরু করলাম।খুব বেশি না হলেও প্রাই ৪০০+ ছিল।
এরপরে কিছু রিকুয়েস্ট এক্সেপ্টও করলাম।
এরপরেই সেই চেনা জান্নাতের আইডিটা থেকে একটা মেসেজ আসলো।
-কিরে. . . ! ! ! রিপ্লাই করছিস না কেনো? ভালোই তো অনলাইনে আছিস দেখতে পারছি!
আমি এটা দেখে কি রিপ্লাই দেবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না।
-কিরে. . কেমন আছিস? তোর বড় কেমন আছে? আর তোর সন্তানেরা কেমন আছে? (আমি)
-আরে আমার বিয়ে হয়েছিল ঠিকি কিন্তু আমার বড় নেই।
-কেন? কি হয়েছিল?
-আমার বিয়েতে বিয়ের আগে ২ লাখ আর পরে ৩ লাখ পন দেওয়ার কথা ছিল।
প্রথমে তো ২ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল।তারপরে বিয়ে হলো আমাদের আর আমার বড় আমাকে নিয়ে আমেরিকা তে চলে আসে কিন্তু তার পরেই হয় ঝামেলা।হঠাৎ করেই বাবার শরির খারাপ হয়ে পরে ।আর সেই ৩ লাখ টাকা থেকে আমার বাবার পেছনে ২ লাখ টাকা খরচা হয়ে জায়।
তারপরে যখন বাবা সুস্থ হওয়ার পরে বলে যে ২ লাখ টাকা কিছুদিন নাবহলে আমরা দিতে পারবো না।তখন ওরা আমাকে আমার বাবার বারিতে রেখে যাই আর তারা আজ পর্যন্ত আমাকে নিতে আসেনি।
-কি সব উল্ট পাল্টা বলছিস তুই. . ! !
-সত্যি বলছি ।
-কিন্তু. . !
-কি?
-কিছুনা।
-আচ্ছা বল তুই বিয়ে করেছিস তো. . ! তোর বৌ কেমন রে. . ! খুব কিউট তাই না. . ! আর তোর বাচ্চা . . ! ! !
-নারে কেও একজন বলেছিল যে আমাকে অনেক ভালবাসে. ।আমার সাথে কথা না বলে নাকি তার রাতে ঘুম আসেনা।আমাকে না দেখতে পেলে নাকি সে ভাল থাকতে পারে না।আমাকে না পেলে নাকি সে বাচতে পারবে না. . ! কিন্তু সেই একদিন তার এই ভালবাসা টাকে মিথ্যে প্রমান করে আমাকে ছেরে চলে গেছিলো।
-এখনো আমার ওপরে রাগ করে আছিস. . !
-না । রাগ করার জন্যও একটা সম্পর্ক থাকতে হয়।
-তাহলে. . . ! !
-কিছুনা।
-তুই কি সত্যিই বিয়ে করিস নি?
-এক কথা বলতে বার বার ভাল লাগে না।
-ওকে।
-আর তুই এখন কি দেশেই আছিস. . . ! ! !
-হ্যা। বাবার কাছেই আছি।
-ভাল।
-আর বল আজ কাল কি করছিস?
-এই তো একটা ছোট খাট জব করছি।
-ভাল।তোর বাড়ির সবাই কেমন আছে?
-যাদের থাকার কথা ছিল তারা আজ আর কেউ কেউ বেচে নেই।আর জাকে নিজের ভেবে আকরে বেচে থাকতে চেয়ে ছিলাম সে আজ আর আমার নেই।
-এখনো অভিমান করে আছিস?
-আভিমান তো নিজের আপন মানুষের উপরেই করা যায়।
-তাহলে একটা বিয়ে করছিস না কেন?
-কেউ একজন বিয়ে করবে বলে অন্য কারো হাত ধরেছিল।আর আমায় ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল।
-আর কাউকে ভালবাসিস নি?
-ভালবাসতে গেলেতো একটা হৃদয়ের প্রয়জন হয়।
-তো? তোর হৃদয় টাতো অনেক বড়।যেমন করে আমাকে সেই হৃদয়ে জাইগা দিয়ে ছিলিস সেই হৃদয়ের কোনে অন্য কাউকেও একটুখানি জাইগা দিতে পারতিস. . . ! ! !
-সেই হৃদয় টাই একদিন কেউ ভেঙে দিয়ে ছিল।আর সেই হৃদয়ে সেই নাম টাই এখনো পর্যন্ত লেখা আছে।যেখনে আর অন্য কারোর নাম লেখাটা অসম্ভব ছিল ।(আমি)
-তাহলে আমি যদি এখন ফিরে আসতে চাই তাহলে কি আমাকে মেনে নিতে পারবি. . . ! আমার এই অসতি শরির টাকে কি মেনে নিতে পারবি. . . ! ! !
-আসার চেষ্টা করেই দেখ।আমি তো কারো শরীর টাকে ভালবেসে ছিলাম না ! আমিতো কারো হৃদয় কে ভালবেসে ছিলাম। যেটা কোনো দিনও অসতী হতে পারে না।
-আমাকে কী এখনো ভালবাসিস।
-জানিনা। তবে এখনে রাতের বেলা ঘুমনোর সময় কারো কথা মনে পরলেই বুকের বাম পাশ টাতে চিন চিন করে ওঠে। কোনো একটা কারনে একটা মায়াতে জরিয়ে আছি বলে মনে হয়।যেটা থেকে বেড়িয়ে যাওয়া অ সম্ভব বেপার।
-তার মানে?
-কিছুনা।
-আমাকে মিস করিস?
-জানি না।তবে মাঝে মাঝে কারো কথা মনে মনে পরলে দুটি চোখ দিয়ে অবিরাম জল ধারা ঝরে পরে।
-খুব কষ্ট দিয়েছি আমি তাই না? ?
- জানিনা।তবে কেউ একজন ছেড়ে যাওয়ার পরে খুব করে কেদে ছিলাম।সারা দিন সারা রাত। কাউকে হারানো খুব বেশি ভয় পেয়ে ছিলাম সেই সময় টাতে।
-তার মানে?
-কিছুনা।
-আমাকে পেতে চাস?
-জানিনা।তবে কাউকে কাছে পাওয়ার জন্য মন টা সব সময় বেকুল হয়ে থাকে।কাউকে দেখার জন্য চোখ দুটি কেমন জানি অাসফাস আসফাস করে।
-আমাকে কি মেনে নিতে একটুও খারাপ লাগবে না?
-জানি না তবে না মানার কোনো জাইগা ওতো নেই।
-আমাকে মেনে নিলে সমাজ কি তোকে মেনে নেবে? ?
-সমাজের পরওয়া করি না। একদিন বাবা, মা মারে যাওয়ার পরে সবাই আমাকে ছুরে ফেলে দিয়েছিল।
-আমরা কি একটা নতুন সংসার তৈরি করতে পারি? ?
-জানিনা তবে সংসার করার একটা শখ আছে।আর শুনেছি কোনো একটা জিনিস কে যদি মন থেকে চাওয়া জাই, তাহলে নাকি পুরো দুনিয়া সেটা তোমাকে পায়িয়ে দেওয়ার জন্য অবিরাম চেষ্টা করে।
- তুই কোথায় আছিস? ?
-সেই পুরোনো বট তলাই।
-আমি কি এখনি আসবো?
- জানিনা তবে কেউ আসতে চাইলে আমি তো তাকে আটকে রাখতে পারি না।
এই মেসেজ টা দেখেই জান্নাতের চোখ দিয়ে অবিরাম ভাবে জল পরতে থাকলো।এটা কোনো শোখের কান্না না।এটা হলো আনন্দের কান্না।
আর অপর দিকে আবিরের চোখ দিয়েও অবিরাম ভাবে জন গরিয়ে পরতে লাগলো।
সো এখান থেকে আমরা একটাই জিনিস জানতে পারি।যে ভালবাসা কখনো শেষ হয়ে যাই না।ভালবাসা মানে ভালবাসা। এটাকে কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা যাই না।
হয়তো এটা হাজারো কষ্টের ভিরে লুকিয়ে থাকে কিন্তু কখনো শেষ হয়ে যায় না।হয়তো হাজারো অভিমানে পেছনে থেকে জাই।কিন্তু মাত্র কতো গুলো কথার কারনে সেটা বেড়িয়ে আসতে বাধ্য।

সমাপ্ত​

প্রথম প্রকাশিত : ফেসবুক
দিত্বীয় প্রকাশিত : বি ডি নাইম ডটকম
ধন্যবাদ সবাইকে!!
বিঃ দ্রঃ গল্পটি আমার নিজের লেখা না আমার পরিচিত একজন লেখকের লেখা । আর তার গল্প কপি করার অনুমতি নিয়েই কপি করেছি! কোন ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমার সুন্দর দৃষ্টতে দেখবেন!
অনুপম সৃজন অসামান্য লাগছে ধন্যবাদ
 

বর্ণমালা এন্ড্রয়েড এপ

নতুন যুক্ত হয়েছেন

Top